স্ত্রীকে আত্মহত্যায় প্ররোচনার মামলায় রিমান্ড শেষে অভিনেতা আলভী কারাগারে

স্ত্রীকে আত্মহত্যায় প্ররোচনার মামলায় রিমান্ড শেষে অভিনেতা আলভী কারাগারে

স্ত্রী আফরা ইভনাত ইকরাকে আত্মহত্যায় প্ররোচনার অভিযোগে দায়ের করা মামলায় দুই দিনের রিমান্ড শেষে ছোট পর্দার অভিনেতা যাহের আলভীকে কারাগারে পাঠানোর নির্দেশ দিয়েছেন আদালত। ঢাকার মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট আমিনুল ইসলাম জুনাঈদ মঙ্গলবার (৩০ জুন) এ আদেশ দেন। বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন বাদীপক্ষের আইনজীবী আবজাল হোসাইন মৃধা। তিনি জানান, এদিন যাহের আলভীর পক্ষে কোনো জামিন আবেদন করা হয়নি। রিমান্ড শেষে আদালত তাঁকে কারাগারে পাঠানোর নির্দেশ দেন।

স্ত্রীকে আত্মহত্যায় প্ররোচনার মামলায় রিমান্ড শেষে অভিনেতা আলভী কারাগারে

এর আগে দুই দিনের রিমান্ড শেষে মামলার তদন্ত কর্মকর্তা, ঢাকা মহানগর পুলিশের (ডিবি) মিরপুর বিভাগের পরিদর্শক মো. আবদুল মালেক তাকে আদালতে হাজির করে কারাগারে আটক রাখার আবেদন করেন। আদালতে দেয়া আবেদনে তদন্ত কর্মকর্তা উল্লেখ করেন, রিমান্ডে জিজ্ঞাসাবাদের সময় মামলার তদন্তে সহায়ক গুরুত্বপূর্ণ তথ্য পাওয়া গেছে। প্রাথমিক তদন্তে ঘটনার সঙ্গে যাহের আলভীর সম্পৃক্ততার তথ্যও মিলেছে। তদন্ত এখনো চলমান থাকায় তাকে কারাগারে রাখা প্রয়োজন বলে আবেদনে উল্লেখ করা হয়।

এর আগে গত ১৮ জুন আত্মসমর্পণ করে জামিনের আবেদন করেছিলেন যাহের আলভী। তবে শুনানি শেষে আদালত তার জামিন আবেদন নামঞ্জুর করে কারাগারে পাঠানোর নির্দেশ দেন। পরে ২১ জুন পুলিশ ১০ দিনের রিমান্ড আবেদন করলে, ২৪ জুন আদালত দুই দিনের রিমান্ড মঞ্জুর করেন।

মামলার এজাহার অনুযায়ী, গত ২৮ ফেব্রুয়ারি রাজধানীর মিরপুর ডিওএইচএসের বাসা থেকে যাহের আলভীর স্ত্রী ইকরাকে সিলিং ফ্যানের সঙ্গে ঝুলন্ত অবস্থায় উদ্ধার করা হয়। পরে কুর্মিটোলা জেনারেল হাসপাতালে নেওয়া হলে চিকিৎসক তাকে মৃত ঘোষণা করেন। ঘটনার সময় যাহের আলভী নেপালে ছিলেন। ওই রাতেই ইকরার বাবা কবির হায়াত খান পল্লবী থানায় আত্মহত্যায় প্ররোচনার অভিযোগে মামলা করেন।

মামলায় অভিযোগ করা হয়, দীর্ঘদিনের পারিবারিক কলহ ও বিভিন্ন ধরনের মানসিক নির্যাতনের কারণে ইকরা আত্মহত্যা করতে বাধ্য হন। এ ঘটনায় যাহের আলভীসহ সংশ্লিষ্ট ব্যক্তিদের বিরুদ্ধে আত্মহত্যায় প্ররোচনার অভিযোগ আনা হয়েছে। উল্লেখ্য, ২০১০ সালে যাহের আলভী ও ইকরার বিয়ে হয়। তাদের এক ছেলে রয়েছে। এ মামলায় যাহের আলভীর মা নাসরিন সুলতানা শিউলি ৪ জুন আত্মসমর্পণ করলে আদালত তাকে জামিন দেন।

Scroll to Top