অস্ট্রেলিয়া দুই ম্যাচের টেস্ট সিরিজের প্রথমটি ডারউইনে জিতে ইতোমধ্যে ইতিহাস গড়েছে বাংলাদেশ। মিচেল স্টার্ক, প্যাট কামিন্স ও জশ হ্যাজেলউডদের মত বোলারদের বিপক্ষে দাপট দেখিয়েছে টাইগার ব্যাটাররা। ম্যাকাইতে দ্বিতীয় টেস্ট খেলবে দুদল। ডারউইনের তুলনায় সেখানকার কন্ডিশন ভিন্ন, এবং পেস সহায়ক। সেখানে এমন বোলিং আক্রমণের মুখোমুখি হওয়ার সুযোগকে ইতিবাচকভাবেই দেখছেন বাংলাদেশ অধিনায়ক নাজমুল হোসেন শান্ত। তার মতে, এটি নিজেদেরকে প্রমাণের বড় সুযোগ।
শনিবার বাংলাদেশ সময় ভোর ৬টায় ম্যাকাইতে গড়াবে সিরিজের দ্বিতীয় ও শেষ টেস্ট। তার আগেরদিন শুক্রবার ম্যাচপূর্ব সংবাদ সম্মেলনে শান্ত জানান, অস্ট্রেলিয়ার পেসারদের বিপক্ষে রান করতে পারলে যেকোনো বোলিং আক্রমণের বিরুদ্ধেই সফল হওয়ার আত্মবিশ্বাস তৈরি হবে।
বলেছেন, ‘ব্যক্তিগতভাবে, এখানে আসার আগে থেকেই আমি এই ধরনের বোলিং আক্রমণের মুখোমুখি হতে চেয়েছিলাম। কারণ আমি সবসময় বিশ্বাস করি যে, যদি আমি এই ধরনের বোলিং আক্রমণের বিরুদ্ধে রান করতে পারি, তাহলে আমি যেকোনো বোলিং আক্রমণের বিরুদ্ধেই রান করতে পারব।’
অস্ট্রেলিয়ার পেস আক্রমণকে আগেই বিশ্বমানের বলে অভিহিত করেছিলেন শান্ত। প্রথম টেস্টের আগে তিনি বলেছিলেন, এমন আক্রমণের বিপক্ষে খেলা বাংলাদেশ দলের জন্য নিজেদের চ্যালেঞ্জ করার সুযোগ।
ডারউইনে সেই চ্যালেঞ্জে দারুণভাবে উতরে গেছে বাংলাদেশ। প্রথম ইনিংসে অস্ট্রেলিয়ার ১০ উইকেটের সবকটিই নিয়েছিল বাংলাদেশের পেসাররা। হাসান মাহমুদের ৬ উইকেটের পাশাপাশি তাসকিন আহমেদ ও অন্য পেসাররাও কার্যকর ভূমিকা রাখেন। শেষ পর্যন্ত অস্ট্রেলিয়াকে ৯ উইকেটে হারিয়ে দেশের মাটিতে তাদের বিপক্ষে প্রথম টেস্ট জয় পায় বাংলাদেশ।
শান্তর মতে, ম্যাকাইয়ের ভিন্ন কন্ডিশনে আবারও শূন্য থেকে শুরু করতে হবে বাংলাদেশকে। বিশেষ করে স্টার্ক-কামিন্স-হ্যাজেলউডদের মতো অভিজ্ঞ পেসারদের বিপক্ষে ব্যাটারদের টেকনিক, ধৈর্য ও মানসিক দৃঢ়তার বড় পরীক্ষা হবে।
বিশ্ব ক্রিকেটে নিজেদের সামর্থ্য প্রমাণের জন্য বড় দলগুলোর কন্ডিশনে নিয়মিত টেস্ট খেলা জরুরি বলে মনে করছেন শান্ত। বলেছেন, ‘অবশ্যই খেলা উচিত। না খেললে আমাদের নিজেদেরও উন্নতি হবে না। আমরা নিজেদেরকে ওইভাবে বিশ্ব ক্রিকেটে …. আমরা যেখানে যোগ্য ওটা বুঝাতেও পারবো না। শেষ ম্যাচটা জেতার কারণে এটা একটা ইতিবাচক বার্তা আমরা দিতে পেরেছি।’


