স্কুলে যাওয়ার কথা বলে একসঙ্গে ‘রহস্যজনকভাবে’ ৪ ছাত্রী নিখোঁজ

স্কুলে যাওয়ার কথা বলে একসঙ্গে ‘রহস্যজনকভাবে’ ৪ ছাত্রী নিখোঁজ

পটুয়াখালীর বাউফল উপজেলার নাজিরপুর-তাঁতেরকাঠি ইউনিয়নে নিখোঁজ চার কিশোরীর কোনো খোঁজ এখনো মেলেনি। বাড়ি থেকে বিদ্যালয়ের উদ্দেশ্যে বের হওয়ার প্রায় ৩২ ঘণ্টা পার হলেও তাদের সন্ধান না পাওয়ায় পরিবারগুলোর মধ্যে উদ্বেগ ও উৎকণ্ঠা বাড়ছে।

স্কুলে যাওয়ার কথা বলে একসঙ্গে ‘রহস্যজনকভাবে’ ৪ ছাত্রী নিখোঁজ

রোববার (১০ মে) উপজেলার নাজিরপুর-তাতেরকাঠি ইউনিয়নে নিখোঁজরা নিজ নিজ বাড়ি থেকে বিদ্যালয়ের উদ্দেশ্যে বেরিয়ে যায়। এদিনই বাউফল থানায় নিখোঁজদের পরিবারের সদস্যরা সাধারণ ডায়েরি (জিডি) করেছেন।

নিখোঁজদের মধ্যে নাজিরপুর ছোট ডালিমা মাধ্যমিক বিদ্যালয়ের সপ্তম শ্রেণির শিক্ষার্থী সানজিদা আক্তার (১২) ও ইসমত জেরিন (১২) রয়েছে। একই বিদ্যালয়ের অষ্টম শ্রেণির ছাত্রী সানজিদা আক্তার রায়সা (১৩) এবং অন্য একটি শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের শিক্ষার্থী আয়েশা আক্তারও (১৫) নিখোঁজ রয়েছে।

পরিবার সূত্রে জানা গেছে, রোববার সকালে প্রতিদিনের মতো তারা বিদ্যালয়ে যাওয়ার কথা বলে বাড়ি থেকে বের হয়। কিন্তু দিন শেষে বাড়ি ফিরে না আসায় স্বজনরা বিভিন্ন স্থানে খোঁজাখুঁজি শুরু করেন। বিদ্যালয়, আত্মীয়স্বজনের বাড়িসহ সম্ভাব্য বিভিন্ন জায়গায় অনুসন্ধান চালিয়েও তাদের কোনো সন্ধান পাওয়া যায়নি।

বিদ্যালয়ের শিক্ষকরা জানান, নিখোঁজ তিন শিক্ষার্থী ওইদিন বিদ্যালয়ে উপস্থিত ছিল না। পরে অভিভাবকদের কাছ থেকে জানা যায়, তারা স্কুলে যাওয়ার উদ্দেশ্যে বাড়ি থেকে বের হয়েছিল। সহপাঠীদের সঙ্গেও কথা বলা হয়েছে, তবে এখন পর্যন্ত কোনো গুরুত্বপূর্ণ তথ্য পাওয়া যায়নি।

এ ঘটনায় পরিবারের পক্ষ থেকে বাউফল থানায় একটি সাধারণ ডায়েরি (জিডি) করা হয়েছে।

তদন্ত কর্মকর্তা এসআই গোলাম মোস্তফা জানান, নিখোঁজ কিশোরীদের কারও কাছে মোবাইল ফোন না থাকায় প্রযুক্তিগতভাবে তাদের অবস্থান শনাক্ত করা কঠিন হয়ে পড়েছে। তবুও বাস, লঞ্চসহ বিভিন্ন যাতায়াতমাধ্যম এবং সম্ভাব্য স্থানগুলোতে খোঁজ নেওয়া হচ্ছে।

রাজধানীতে ‘আবাসিক হোটেলে’ ফের অভিযান, নারীসহ আটক যারা

এ বিষয়ে বাউফল থানার ওসি সিরাজুল ইসলাম বলেন, চার কিশোরী নিখোঁজের ঘটনাটি গুরুত্বের সঙ্গে তদন্ত করা হচ্ছে এবং তাদের উদ্ধারে পুলিশের অভিযান অব্যাহত রয়েছে।

Scroll to Top