সৌদি বিমানবন্দরে হুতিদের ভয়াবহ হামলা, যুক্তরাষ্ট্র এখন কি করবে

সৌদি বিমানবন্দরে হুতিদের ভয়াবহ হামলা, যুক্তরাষ্ট্র এখন কি করবে

বৃহস্পতিবার হুতিরা আবারও কিং খালিদ আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে হামলার দাবি করে। ওই ঘটনায় একজন পাইলটসহ সৌদি আরবের তিন নাগরিক নিহত হন।

গত এক সপ্তাহের হামলায় নিহত ব্যক্তিদের অধিকাংশই সৌদি নাগরিক। তবে নিহত ব্যক্তিদের মধ্যে আলজেরিয়া, বাংলাদেশ, মিসর, জর্ডান, মরক্কো, পাকিস্তান, ফিলিপাইন, সুদান ও যুক্তরাষ্ট্রের নাগরিকও রয়েছেন।

ইয়েমেনে হুতিদের বিরুদ্ধে লড়াইরত সৌদি নেতৃত্বাধীন জোটের মুখপাত্র মেজর জেনারেল তুর্কি আল-মালকি শুক্রবার এক বিবৃতিতে বলেন, এসব হামলার জবাব দেওয়া হবে এবং হামলাকারীদের শাস্তি এড়ানোর সুযোগ নেই।

বিমানবন্দরে হামলা হুতিদের পরিচিত সামরিক কৌশলগুলোর একটি। ২০১৯ সালে সৌদি আরবের আভা বিমানবন্দরে একই ধরনের হামলার ঘটনাকে মানবাধিকার সংস্থা হিউম্যান রাইটস ওয়াচ সম্ভাব্য যুদ্ধাপরাধ হিসেবে নিন্দা জানিয়েছিল।

হুতিদের সামরিক মুখপাত্র ব্রিগেডিয়ার জেনারেল ইয়াহিয়া সারি বৃহস্পতিবার আন্তর্জাতিক বিমান সংস্থা ও যাত্রীদের সৌদি আরবের আকাশসীমা এড়িয়ে চলার আগের সতর্কবার্তা আবারও দেন। সোমবার সৌদি আরবের আকাশসীমাকে সামরিক অভিযানের জন্য উন্মুক্ত এলাকা ঘোষণা করা হয়েছিল বলে তিনি জানান। সৌদি আরবের তেল স্থাপনাগুলো থেকেও কর্মীদের দূরে থাকার আহ্বান জানান তিনি। তাঁর বক্তব্য অনুযায়ী, এসব স্থাপনাও হুতিদের প্রধান লক্ষ্যবস্তুর অন্তর্ভুক্ত। সেখানে কর্মীরা অবস্থান করলে তাঁদের জীবন বিপন্ন হতে পারে।

Scroll to Top