
সেন্টমার্টিন দ্বীপ, ১৬ ফেব্রুয়ারি – দেশের একমাত্র প্রবাল দ্বীপ সেন্টমার্টিনের সমুদ্রসৈকত এলাকায় নির্বিচারে কেয়া গাছ কেটে ফেলার অভিযোগ উঠেছে। দ্বীপের ৯ নম্বর ওয়ার্ডের দক্ষিণপাড়া এলাকায় কেয়া বন উজাড়ের ঘটনায় স্থানীয়দের মধ্যে তীব্র ক্ষোভ ও উদ্বেগের সৃষ্টি হয়েছে।
তবে কারা এই পরিবেশ বিধ্বংসী কর্মকাণ্ডের সঙ্গে জড়িত, তা এখনো সুনির্দিষ্টভাবে জানা যায়নি। সেন্টমার্টিন ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান ফয়েজুল ইসলাম জানিয়েছেন, তিনি গাছ কাটার বিষয়টি শুনেছেন এবং গতকাল রোববার একজন দায়িত্বপ্রাপ্ত বিচকর্মীকে ঘটনাস্থলে পাঠিয়েছেন। তদন্ত সাপেক্ষে এ বিষয়ে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণের আশ্বাস দিয়েছেন তিনি। স্থানীয় বাসিন্দা ও পর্যটকদের মতে, কেয়া গাছ এই দ্বীপের প্রাকৃতিক রক্ষাকবচ ও সৌন্দর্যের অন্যতম আধার। গত শনিবার বিকেলে সৈকতে গিয়ে সারি সারি গাছ কাটা অবস্থায় দেখে অনেকেই হতাশা প্রকাশ করেছেন।
বাংলাদেশ পরিবেশ আন্দোলন (বাপা) কক্সবাজার জেলা শাখার সভাপতি এইচ এম এরশাদ এ ঘটনাকে অত্যন্ত নিন্দনীয় উল্লেখ করে বলেন, কেয়া গাছ উপকূলীয় পরিবেশের প্রাকৃতিক সুরক্ষাবেষ্টনী হিসেবে কাজ করে। ঝড়-জলোচ্ছ্বাস থেকে দ্বীপকে রক্ষা এবং সামুদ্রিক জীববৈচিত্র্য টিকিয়ে রাখতে এই গাছের ভূমিকা অপরিসীম। পরিবেশ অধিদপ্তর কক্সবাজার জেলা কার্যালয়ের পরিচালক জমির উদ্দিন নিশ্চিত করেছেন যে বিষয়টি তাদের নজরে এসেছে এবং প্রাথমিক তদন্ত শুরু হয়েছে। পরিবেশ সংরক্ষণ আইন অনুযায়ী জড়িতদের বিরুদ্ধে কঠোর আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হবে বলে জানান তিনি।
এস এম/ ১৬ ফেব্রুয়ারি ২০২৬





