বাংলাদেশি গণমাধ্যমের প্রতিবেদনে বলা হয়, ১৩৪টি বাস কেনার জন্য এই অর্থ নেওয়া হয়েছিল। তবে সে বাসগুলো বাস্তবে কেনা হয়নি।
বাংলাদেশের তদন্ত শুধু এই মামলার মধ্যেই সীমাবদ্ধ নেই। বাংলাদেশের পক্ষ থেকে সাইপ্রাসের কাছে পাঠানো অনুরোধে উল্লেখ করা হয়েছে, একাধিক আর্থিক প্রতিষ্ঠান থেকে এস আলম–সংশ্লিষ্ট কোম্পানিগুলোর বড় অঙ্কের ঋণ নেওয়ার বিষয়ে কর্তৃপক্ষ তদন্ত করছে। এসব প্রতিষ্ঠানের মধ্যে ইসলামী ব্যাংক বাংলাদেশ এবং ফার্স্ট সিকিউরিটি ইসলামী ব্যাংকও আছে।
বাংলাদেশ কর্তৃপক্ষ আরও বলেছে, ওই সব ঋণের অনেকগুলো পরবর্তী সময়ে খেলাপি হয়ে যায়। বিভিন্ন দেশে ছড়িয়ে থাকা কোম্পানি ও আর্থিক প্রতিষ্ঠানের একটি নেটওয়ার্ক ব্যবহার করে এসব ঋণের অর্থ বিদেশে স্থানান্তর করা হয়েছিল কি না, তা তদন্তকারীরা এখন খতিয়ে দেখছেন।
বাংলাদেশের কেন্দ্রীয় ব্যাংকের গভর্নর প্রকাশ্যে বলেছেন, এ ক্ষেত্রে প্রায় ৮০০ কোটি ইউরোরও বেশি অর্থ দেশ থেকে বাইরে পাঠানো হয়েছে বলে অভিযোগ রয়েছে। বাংলাদেশি কর্তৃপক্ষ মনে করছে, তদন্ত-সংশ্লিষ্ট সম্পদগুলো সাইপ্রাস, সিঙ্গাপুরসহ বিভিন্ন দেশে ছড়িয়ে–ছিটিয়ে থাকতে পারে।
সাইপ্রাসে নিবন্ধিত এক্লেয়ার ইন্টারন্যাশনাল নামের একটি কোম্পানির বিরুদ্ধেও তদন্ত চলছে। এক্লেয়ার ইনভেস্টমেন্ট লিমিটেডকে কিনে নেওয়ার পর মোহাম্মদ সাইফুল আলম ২০১৬ সালে এক্লেয়ার ইন্টারন্যাশনালকে অধিগ্রহণ করেছিলেন। কোম্পানিটি তদন্তাধীন অর্থের লেনদেনে ব্যবহৃত হয়েছিল কিনা, তা বাংলাদেশি কর্তৃপক্ষ খতিয়ে দেখছে।



