ইরানের সাবেক সর্বোচ্চ নেতা আয়াতুল্লাহ আলি খামেনির জানাজা শেষে আজ তার মরদেহ রাজধানী তেহরানের ফ্রিডম স্কয়ারে সর্বসাধারণের শ্রদ্ধা নিবেদনের জন্য রাখা হবে। এরপর কয়েক দিনের রাষ্ট্রীয় শোকানুষ্ঠানের অংশ হিসেবে মরদেহ ইরানের বিভিন্ন শহর এবং প্রতিবেশী ইরাকে নেওয়া হবে।
কাতারভিত্তিক সংবাদমাধ্যম আল জাজিরার প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, রোববার (৫ জুলাই) তেহরানের গ্র্যান্ড মোসাল্লা প্রাঙ্গণে রাষ্ট্রীয় মর্যাদায় খামেনির জানাজা অনুষ্ঠিত হয়। শেষ বিদায়ে তার তিন ছেলে জানাজায় অংশ নেন। জানাজা শেষে সেখানে সর্বসাধারণের শ্রদ্ধা নিবেদনের জন্য খামেনি ও তার পরিবারের সদস্যদের মরদেহ রাখা হয়।
আজ তেহরানের রাজপথে বিশাল রাষ্ট্রীয় শেষযাত্রা অনুষ্ঠিত হওয়ার কথা রয়েছে। পরে ৭ জুলাই মরদেহ নেওয়া হবে পবিত্র শহর কোমে। ৮ জুলাই তা ইরাকের কারবালা ও নাজাফে নেওয়া হবে। সবশেষে ৯ জুলাই খামেনির জন্মস্থান মাশহাদে ইমাম রেজা (আ.) এর মাজারের পাশে তাকে দাফন করা হবে।
শোকানুষ্ঠানে লাখো মানুষের উপস্থিতিতে যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরাইলবিরোধী স্লোগান ধ্বনিত হয়। একই সঙ্গে মার্কিন-ইসরায়েলি হামলায় খামেনি ও দেশটির শীর্ষ কর্মকর্তাদের নিহত হওয়ার ঘটনায় প্রতিশোধের দাবিও জানান অংশগ্রহণকারীরা।
উল্লেখ্য, ১৯৮৯ সাল থেকে ইরানের সর্বোচ্চ নেতা হিসেবে দায়িত্ব পালন করেন আয়াতুল্লাহ আলি খামেনি। প্রায় চার দশকের নেতৃত্বে তিনি দেশটির রাজনৈতিক, সামরিক ও ধর্মীয় কাঠামোতে গুরুত্বপূর্ণ প্রভাব রেখে যান।


