বৈশ্বিক পরিস্থিতির প্রেক্ষাপটে বিদ্যুৎ ও জ্বালানি সাশ্রয়ের লক্ষ্যে সরকারি অফিসগুলোতে লাইট-এসি ব্যবহারে কড়াকড়ি আরোপ করেছে সরকার। এ বিষয়ে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নিতে সব মন্ত্রণালয়, বিভাগ, অধিদফতর ও সংস্থাকে নির্দেশনা দিয়েছে মন্ত্রিপরিষদ বিভাগ।

নির্দেশনায় বলা হয়, বর্তমান বৈশ্বিক সংকট মোকাবিলায় জাতীয় পর্যায়ে বিদ্যুৎ ও জ্বালানি সাশ্রয় করা জরুরি। এ জন্য সব সরকারি, স্বায়ত্তশাসিত, সংবিধিবদ্ধ সংস্থা ও করপোরেশনের কর্মকর্তা-কর্মচারীদের বিদ্যুৎ ও জ্বালানি ব্যবহারে সাশ্রয়ী ও দায়িত্বশীল আচরণ নিশ্চিত করতে হবে।
নির্দেশনা অনুযায়ী, দিনের বেলায় পর্যাপ্ত প্রাকৃতিক আলো থাকলে বৈদ্যুতিক বাতি ব্যবহার পরিহার করতে হবে এবং জানালা-দরজা বা ব্লাইন্ড খোলা রেখে প্রাকৃতিক আলো ব্যবহার করতে হবে। একইসঙ্গে বিদ্যমান আলোর অর্ধেক ব্যবহার করতে হবে এবং প্রয়োজনের অতিরিক্ত লাইট জ্বালানো যাবে না।
অফিস চলাকালীন অপ্রয়োজনীয় লাইট, ফ্যান ও এয়ার কন্ডিশনারসহ অন্যান্য বৈদ্যুতিক যন্ত্রপাতি বন্ধ রাখতে বলা হয়েছে। এয়ার কন্ডিশনার ব্যবহারের ক্ষেত্রে তাপমাত্রা ২৫ ডিগ্রি সেলসিয়াস বা তার বেশি রাখতে হবে।
নির্দেশনায় আরও বলা হয়, অফিসকক্ষ ত্যাগ করার সময় কক্ষের লাইট, ফ্যান ও এয়ার কন্ডিশনার বন্ধ রাখতে হবে। করিডোর, সিঁড়ি ও ওয়াশরুমে অপ্রয়োজনীয় বাতি ব্যবহার বন্ধ করতে হবে। বিদ্যুৎ সাশ্রয়ী যন্ত্রপাতি ব্যবহারের ওপরও গুরুত্ব দেওয়া হয়েছে।
অফিস সময় শেষে লাইট, ফ্যান, কম্পিউটার, প্রিন্টার, স্ক্যানার ও এয়ার কন্ডিশনারসহ সব ধরনের বৈদ্যুতিক যন্ত্রপাতি বন্ধ রাখার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। পাশাপাশি অপ্রয়োজনীয় আলোকসজ্জা পরিহার, গাড়ির ব্যবহার সীমিত রাখা এবং জ্বালানি ব্যবহারে সাশ্রয়ী হওয়ার কথাও বলা হয়েছে।
আরও পড়ুন : ২০২৬ সালে যে ৮ দক্ষতা আপনাকে সফলতা এনে দেবে
মন্ত্রিপরিষদ বিভাগ থেকে সংশ্লিষ্ট সব দফতর ও সংস্থাকে এ বিষয়ে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নিতে এবং অধীনস্থ অফিসগুলোকে নির্দেশনা দেওয়ার জন্য অনুরোধ জানিয়েছে।



