আলোচনায় অংশ নিয়ে গণসংহতি আন্দোলনের রাজনৈতিক পর্ষদের সদস্য ও লেখক ফিরোজ আহমেদ বলেন, দুর্নীতি না উন্নয়ন, মুক্তিযুদ্ধের পক্ষ না বিপক্ষ—আওয়ামী লীগের শাসনামলে এই বিভাজনে প্রগতিশীল রাজনীতি আটকে পড়েছিল। এর ফলে ফ্যাসিবাদের বিরুদ্ধে গণতান্ত্রিক শক্তিগুলোর সর্বাত্মক ঐক্য হয়নি। চব্বিশে প্রগতিশীলরা প্রাণপণে জনগণের সঙ্গে সাঁতার কেটেছে, কিন্তু আন্দোলনের সামনে যাওয়ার সুযোগ তাদের ছিল না।
বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলনের সাবেক সমন্বয়ক আবদুল কাদের আলোচনায় অংশ নিয়ে বলেন, জুলাই প্রশ্নবিদ্ধ হলে সবাইকে ক্ষতিগ্রস্ত হতে হবে, শহীদ ও আহত ব্যক্তিদের প্রতি অবিচার হবে। গত দুই বছরে যা যা হয়েছে, সব ভুলে গিয়ে নতুন করে এগিয়ে যেতে সবার প্রতি আহ্বান জানিয়ে তিনি বলেন, সেটি না হলে আবারও সেই নিপীড়নের সংস্কৃতি ফিরে আসবে।
ডাকসুর সদস্য হেমা চাকমা বলেন, জুলাই অভ্যুত্থানের পর ডানপন্থার উত্থান হয়েছে। একের পর এক ‘মব সন্ত্রাস’ হয়েছে। এটি কখনোই অভ্যুত্থানের আকাঙ্ক্ষা বা স্বপ্ন ছিল না।
সেমিনার সঞ্চালনা করেন যুক্তরাষ্ট্রের বার্ড কলেজের শিক্ষক ফাহমিদুল হক। অন্যদের মধ্যে বক্তব্য দেন জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয়ের অধ্যাপক সাঈদ ফেরদৌস, শিক্ষক ও গবেষক মোবাশ্বার হাসান, নর্থ সাউথ ইউনিভার্সিটির শিক্ষক শরমি হোসেন, বিএনপি নেতা মীর আরশাদুল হক প্রমুখ।



