এই বীর মুক্তিযোদ্ধা বলেন, শহীদ রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমান ১৯৭১ সালের ২৬ মার্চ স্বাধীনতার ঘোষণা প্রদান না করলে বাংলাদেশের জন্ম হতো কি না, সংশয় থেকে যায়। জিয়াউর রহমানের নেতৃত্বে এ দেশের জনগণ মুক্তিযুদ্ধে অংশগ্রহণ করে কাঙ্ক্ষিত বিজয় অর্জন করে। তিনি আরও বলেন, দেশনেত্রী খালেদা জিয়া জিয়াউর রহমানকে স্বাধীনতার ঘোষণা প্রদানে অনুপ্রেরণা জুগিয়েছিলেন।
অনুষ্ঠানে জাতীয় সংসদের চিফ হুইপ নূরুল ইসলাম মণি বলেন, বাংলাদেশে গণতন্ত্রের স্থায়ী রূপ দিতে তত্ত্বাবধায়ক সরকারব্যবস্থা চালু করেন খালেদা জিয়া। তিনি বলেন, ‘অনেকেই বাংলাদেশে প্রত্যাবর্তন করেছেন; কিন্তু জিয়া পরিবারের কোনো প্রত্যাবর্তন নেই। জিয়া পরিবার না থাকলে বাংলাদেশ থাকত কি না, সে বিষয়ে আমি সন্দিহান।’
পার্বত্য চট্টগ্রাম বিষয়ক মন্ত্রী দীপেন দেওয়ান বলেন, ‘এই জিয়া পরিবার না থাকলে আজ আমরা এখানে সমবেত হতে পারতাম না।’ তিনি বলেন, ‘দুঃসময়ে আমি দেশনেত্রী খালেদা জিয়াকে দেখেছি। তাঁকে অনেক সংগ্রাম করতে হয়েছে, আন্দোলন করতে হয়েছে। দুঃসময়ে তিনি বিএনপিকে ধরে রেখেছেন। আজ এখানে আমরা শপথ নিই— যদি খালেদা জিয়ার প্রতি শ্রদ্ধা ও কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করি, তবে নতুন বাংলাদেশ গড়ার প্রত্যয়ে প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের হাতকে শক্তিশালী করতে হবে।’



