বিএনপির সিনিয়র যুগ্ম-মহাসচিব রুহুল কবির রিজভী বলেছেন, আন্দোলন-সংগ্রামে অবদান, সংসদে বক্তব্য দেওয়ার দক্ষতা এবং সামাজিক গ্রহণযোগ্যতার ভিত্তিতেই সংরক্ষিত নারী আসনে প্রার্থী নির্বাচন করবে দল।
শনিবার (১১ এপ্রিল) সকালে নয়াপল্টনে বিএনপির কেন্দ্রীয় কার্যালয়ে সাংবাদিকদের সঙ্গে আলাপকালে তিনি এ কথা জানান।
রিজভী বলেন, সংরক্ষিত নারী আসনের মনোনয়ন পেতে শুক্রবার প্রায় ৫০০ ফরম বিক্রি হয়েছে। শনিবার সকাল ১০টা থেকে আবারও ফরম বিতরণ শুরু হয়েছে। শুক্রবার, শনিবার ও রোববার এই তিনদিন ফরম বিতরণ ও জমা নেওয়া কার্যক্রম চলবে। ইতোমধ্যে অনেক আবেদন জমাও পড়েছে।
তিনি জানান, দলের সিনিয়র নেতাদের সমন্বয়ে গঠিত একটি বোর্ডে এসব আবেদন যাচাই-বাছাই করা হবে। মনোনয়ন প্রক্রিয়ার চূড়ান্ত পদ্ধতি শিগগিরই জানানো হবে।
রিজভী আরও বলেন, গণতান্ত্রিক ধারাবাহিকতা বজায় রেখে বিএনপি যেভাবে সংসদ সদস্য নির্বাচন করে, একই নিয়ম অনুসরণ করেই এবারও প্রার্থী নির্ধারণ করা হবে। আগ্রহীরা নির্ধারিত ফরম পূরণ করে প্রয়োজনীয় কাগজপত্রসহ জমা দেবেন।
দীর্ঘদিনের রাজনৈতিক সংগ্রামের প্রসঙ্গ তুলে তিনি বলেন, গত ১৬-১৭ বছরের কঠিন পরিস্থিতি অতিক্রম করে এখন একটি অবাধ ও সুষ্ঠু নির্বাচনের পরিবেশ তৈরি হয়েছে। এই সুযোগকে সর্বোচ্চভাবে কাজে লাগাতে হবে।
তিনি আরও বলেন, বর্তমান সংসদসহ জেলা পরিষদ, উপজেলা পরিষদ, পৌরসভা ও ইউনিয়ন পরিষদের মতো সব পর্যায়ের জনপ্রতিনিধি জনগণের ভোটেই নির্বাচিত হওয়া উচিত।
এদিকে সংরক্ষিত নারী আসনের মনোনয়নকে ঘিরে নয়াপল্টনে বিএনপির কেন্দ্রীয় কার্যালয়ে ব্যাপক উৎসাহ-উদ্দীপনা লক্ষ্য করা গেছে। শনিবারও সকাল থেকে নেতাকর্মীদের ভিড় ছিল চোখে পড়ার মতো।
মনোনয়নপ্রত্যাশী নারী নেত্রীরা কেন্দ্রীয় নেতাদের বাসা ও কার্যালয়ে গিয়ে নিজেদের আন্দোলন-সংগ্রামের ভূমিকা তুলে ধরছেন। পাশাপাশি সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমেও সক্রিয় প্রচারণা চালাতে দেখা যাচ্ছে তাদের।



