কাতার বিশ্বকাপে সৌদি আরবের কাছে হারের পর রূপকথা লিখেছিল আর্জেন্টিনা। অধিনায়ক লিওনেল মেসির হাতে প্রথমবার বিশ্বসেরার শিরোপা ওঠার পর অনেকে ভেবেছিলেন এবার অবসরে যাবেন ৩৯ বর্ষী মহাতারকা। সেই বিশ্বকাপ পেরিয়ে আরেকটি বিশ্বকাপের ফাইনালে আর্জেন্টিনা। এটি শেষ বিশ্বকাপ কিনা, সেটি নিয়ে এখনও কথা বলতে চান না মেসি।
মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র-মেক্সিকো-কানাডা বিশ্বকাপে আট গোল করে বিশ্বকাপের ইতিহাসে সর্বোচ্চ গোলদাতার রেকর্ড এখন মেসির। বিশ্বকাপ ইতিহাসে সর্বোচ্চ অ্যাসিস্টের রেকর্ডও কিংবদন্তির দখলে। গড়ছেন বহু রেকর্ডই।
ইংল্যান্ডের বিপক্ষে সেমিফাইনালের পর মেসি বলেছেন, ‘এক বছর যাবত অনুশীলন করছি এবং নিজেকে প্রস্তুত করছি। নিজেকে সর্বোচ্চ ভালো রাখার জন্য সবকিছু উজাড় করে দিয়েছি। এই মুহূর্তে সময়টাকে উপভোগ করতে চাই। এটা আমার শেষ বিশ্বকাপ বা ওই জাতীয় কোনকিছু নিয়ে কথা বলছি না।’
‘এই দলটি কখনোই হাল ছাড়ে না। ফুটবল ও দৃঢ় সংকল্প নিয়ে আমরা জয়ের লক্ষ্যেই মাঠে নেমেছিলাম এবং আবারও বিশ্বকাপের ফাইনালে পৌঁছেছি। আমরা প্রতিপক্ষকে (ইংল্যান্ডকে) তাদের অর্ধেই আটকে রেখেছিলাম এবং প্রমাণ করেছি যে, অতিরিক্ত সময়ে না গিয়েই নির্ধারিত সময়ের মধ্যে জয় তুলে নেয়া সম্ভব। পিছিয়ে পড়েও ঘুরে দাঁড়ানোর মতো মানসিক স্থিরতা ও দৃঢ়তা আমাদের ছিল। সত্যি বলতে, আমরা পুরো বিষয়টি দারুণ উপভোগ করেছি।’
ফাইনালের প্রতিপক্ষ স্পেনকে নিয়ে মেসি বলেছেন, ‘এটি একটি অসাধারণ দল যেখানে কিছু অসামান্য খেলোয়াড় আছেন এবং তারা দুর্দান্ত ফুটবল খেলেন। দলটিকে আমি খুব ভালোভাবেই চিনি। তাদের নিজস্ব একটি ফুটবল দর্শন আছে এবং তারা বহু বছর ধরেই এই ধাঁচে খেলে আসছে।’
‘আমি এই দলের খেলোয়াড়দের চিনি, তাদের বিপক্ষে খেলেছি, তাদের খেলা দেখি। তাদের মধ্যে কয়েকজন বার্সায় খেলছে, যে দলটিকে আমি ভালোবাসি ও অনুসরণ করি। এটি একটি বিশেষ ম্যাচ, বিশ্বকাপের ফাইনাল। আমার ধারণা, লড়াইটা বেশ হাড্ডাহাড্ডি হবে।’




