সংগঠনের সভাপতি জিয়াউল ইসলামের সভাপতিত্বে ও সাধারণ সম্পাদক ধীমান সাহার সঞ্চালনায় অনুষ্ঠানে আরও বক্তব্য দেন খেলাঘর কেন্দ্রীয় কমিটির সহসভাপতি রথীন চক্রবর্তী, সন্ত্রাস নির্মূল ত্বকী মঞ্চের সদস্যসচিব হালিম আজাদ, দৈনিক খবরের পাতার সম্পাদক মাহবুবুর রহমান, সিপিবির সভাপতি হাফিজুল ইসলাম, নারায়ণগঞ্জ নাগরিক কমিটির সাধারণ সম্পাদক জাহিদুল হক, ন্যাপের জেলা সাধারণ সম্পাদক আওলাদ হোসেন, সাংস্কৃতিক জোটের সাবেক সভাপতি ভবানী শংকর রায়, বাসদের জেলা সদস্যসচিব আবু নাঈম, গণসংহতি আন্দোলনের জেলা সমন্বয়ক তরিকুল সুজন, ওয়ার্কার্স পার্টির জেলা সম্পাদক হিমাংসু সাহা, বিপ্লবী ওয়ার্কার্স পার্টির জেলা সভাপতি মাহামুদ হোসেন, সামাজিক সংগঠন সমমনার সাবেক সভাপতি দুলাল সাহা প্রমুখ।
সাংস্কৃতিক ব্যক্তিত্ব রফিউর রাব্বি বলেন, ‘ত্বকী হত্যাকাণ্ডের সাত দিনের মাথায় নাসিম ওসমান ও আজমেরী ওসমানের যে টেলি-কথোপকথন প্রকাশিত হয়, সেখানে তাঁরা শামীম ওসমানের ছেলে অয়ন ওসমানের কথা উল্লেখ করেছেন। আমরা শুরু থেকে বলে এসেছি শামীম ওসমান এ হত্যাকাণ্ডের পরিকল্পনাকারী ও নির্দেশদাতা। এ হত্যাকাণ্ডের যে কারণগুলো উল্লেখ করা হয়েছে, তা সবই শামীম ওসমান–সংশ্লিষ্ট।’ রফিউর রাব্বি বলেন, ২০১৩ সালে র্যাবের তদন্তে আজমেরী ওসমানের নেতৃত্বে ১১ জন ত্বকীকে হত্যা করেছে বলে উল্লেখ করেছিল। তদন্ত যেখানে থেমে গেল আজ তদন্ত শেষে ঘটনা সেখানেই থেকে গেলে, তা গ্রহণযোগ্য হবে না।