সোহেল রানা বিকৃত রুচির হতে পারে, ধারণা পুলিশের
ডিএমপির অতিরিক্ত কমিশনার নজরুল ইসলাম বলেন, সোহেল রানার বিরুদ্ধে নাটোর জেলায় সন্ত্রাসবিরোধী আইনে আগের একটি মামলার তথ্য পাওয়া গেছে। তাঁর আচরণ ও স্ত্রী স্বপ্নার প্রাথমিক বক্তব্য অনুযায়ী, সে বিকৃত মানসিকতা ও বিকৃত যৌনরুচির হতে পারে বলে ধারণা করা হচ্ছে। তবে তদন্ত ও ফরেনসিক রিপোর্ট পাওয়ার পর বিষয়টি নিশ্চিত হওয়া যাবে।
গ্রেপ্তার স্বপ্না আক্তারের বরাত দিয়ে পুলিশ কর্মকর্তা নজরুল ইসলাম বলেন, স্বপ্না দাবি করেছেন, তিনি ঘুমের ওষুধ সেবন করে ঘুমিয়ে ছিলেন এবং ঘটনা সম্পর্কে কিছু জানেন না। তবে তদন্তে দেখা গেছে, রামিসার মা দরজায় ধাক্কা দেওয়ার পরেও দীর্ঘ সময় দরজা না খোলা এবং মূল আসামি সোহেল রানার পালিয়ে যাওয়ার সুযোগ সৃষ্টি করার মাধ্যমে তিনি সহযোগিতা করেছেন। রামিসার মরদেহ ময়নাতদন্তের জন্য শহীদ সোহরাওয়ার্দী মেডিকেল কলেজের মর্গে পাঠানো হয়েছে।



