শিক্ষা বলেছেন, বিএনপির নির্বাচনী ইশতেহার ২০২৬ অনুযায়ী শিক্ষাব্যবস্থাকে আধুনিক, কর্মমুখী ও সময়োপযোগী করে গড়ে তুলতে সরকার অগ্রাধিকার ভিত্তিতে বিভিন্ন কর্মসূচি বাস্তবায়ন করবে। তিনি বলেন, আগামী ১৮০ দিনের কর্মসূচির আওতায় শিক্ষা ও মানবসম্পদ উন্নয়নে যুগান্তকারী পদক্ষেপ গ্রহণ করা হবে।
সভায় জানানো হয়, দেশের জনসংখ্যাগত সুবিধা তথা ডেমোগ্রাফিক ডিভিডেন্ড এবং ভবিষ্যতের লংজিভিটি ডিভিডেন্ডকে কাজে লাগাতে শিক্ষা ও দক্ষতা উন্নয়নকে সর্বোচ্চ গুরুত্ব দেওয়া হবে। কর্মক্ষম যুব জনগোষ্ঠীর জন্য মানসম্মত শিক্ষা, দক্ষতাভিত্তিক প্রশিক্ষণ এবং কর্মসংস্থানের সুযোগ সম্প্রসারণের ওপর জোর দেওয়া হবে। একই সঙ্গে ভবিষ্যতে প্রবীণ জনগোষ্ঠীর সুস্বাস্থ্য, সামাজিক সুরক্ষা ও সক্রিয় অংশগ্রহণ নিশ্চিত করার পরিকল্পনাও গ্রহণ করা হয়েছে। বিএনপির শিক্ষানীতির মূল লক্ষ্য হবে জীবনমুখী, কর্মমুখী ও উৎপাদনমুখী শিক্ষাব্যবস্থা গড়ে তোলা। এ লক্ষ্যে শিক্ষা খাতে পর্যায়ক্রমে জিডিপির ৫ শতাংশ বরাদ্দ নিশ্চিত করার পরিকল্পনা রয়েছে। শিক্ষার গুণগত মান উন্নয়নের জন্য শিক্ষক প্রশিক্ষণ জোরদার, প্রযুক্তিনির্ভর শিক্ষা সম্প্রসারণ, মাল্টিমিডিয়া ক্লাসরুম স্থাপন এবং ‘ওয়ান টিচার, ওয়ান ট্যাব’ কর্মসূচি বাস্তবায়নের উদ্যোগ নেওয়া হবে।


