সম্প্রতি কুমিল্লা আদর্শ সদর উপজেলার সুবর্ণপুর এলাকায় গিয়ে দেখা যায়, নদীর চরে কৃষকেরা ফুলকপি, বাঁধাকপি, লাউশাক, কুমড়াশাক, মুলা, লালশাকসহ বিভিন্ন শাকসবজির চাষ করেছেন। কয়েক দিনের মধ্যে এসব শাকসবজি বিক্রির উপযোগী হবে। একই অবস্থা দেখা গেছে পাশের ঝালুয়াপাড়া ও অরণ্যপুর এলাকায়। প্রায় প্রতিটি এলাকাতেই কৃষকদের গোমতীর চরে শাকসবজি আবাদে ব্যস্ত সময় পার করতে দেখা যায়।
কুমিল্লার কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তরের উপপরিচালক আইউব মাহমুদ বলেন, গত আগস্ট মাসের মাঝামাঝি সময়ের বন্যায় গোমতীর চরের কৃষকেরা ব্যাপকভাবে ক্ষতির সম্মুখীন হয়েছেন। তবে এখানকার কৃষকেরা পরিশ্রমী। এ কারণে বন্যার পানি কমতেই ঘুরে দাঁড়ানোর জন্য শাকসবজির আবাদ পুরোদমে শুরু করেছেন। তিনি গোমতীর চর এলাকা ঘুরে দেখেছেন। আশা করছেন, সপ্তাহখানেকের মধ্যে চরের বেশ কিছু সবজি বাজারে আসবে। এতে স্থানীয়ভাবে সরবরাহ বেড়ে গেলে ভোক্তাপর্যায়ে সবজির দাম অনেকটাই কমে আসবে। কারণ, গোমতীর চরের সবজি কুমিল্লার মানুষের চাহিদার বড় একটি অংশ পূরণ করে।