জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয়ের অধীন লালমাটিয়া মহিলা কলেজ থেকে অ্যাকাউন্টিং বিষয়ে সম্মানসহ স্নাতকের পর ট্যুরিজম খাতে ক্যারিয়ার শুরু করেন হালিমা ইয়াসমিন। ‘ভিসা প্রসেসিং অ্যানালিস্ট’ হিসেবে দেশের অন্যতম জনপ্রিয় স্টার্টআপ ‘শেয়ার ট্রিপ’, শ্রীলঙ্কাভিত্তিক বহুজাতিক প্রতিষ্ঠান ‘উইংস ট্রাভেলস’–এর মতো প্রতিষ্ঠানে কাজ করেন। ট্যুরিজম অ্যান্ড হসপিটালিটি বিষয়ে অধিকতর পড়াশোনা করতে গত বছরের ডিসেম্বরে হালিমা ইয়াসমিন পাড়ি জমান লিথুয়ানিয়ায়। বাবা দেলোয়ার হোসেন পেশায় ব্যবসায়ী এবং মা রাজিয়া সুলতানা গৃহিণী।
উচ্ছ্বসিত হালিমা ইয়াসমিন বলেন, ‘ফেব্রুয়ারিতে আবেদনের পর ফেস্টিভ্যালের কথা একরকম ভুলেই গিয়েছিলাম। আমি যে নির্বাচিত হব, তা–ও ফুল ফান্ডেড—বিন্দুমাত্র আশা ছিল না। তবে এখন খুবই ভালো লাগছে। বিশেষ করে এটা ভেবে খুবই গর্ব হচ্ছে যে এত বড় একটি প্ল্যাটফর্মে বাংলাদেশকে, বাংলাদেশের সংস্কৃতি ও সম্ভাবনাকে তুলে ধরতে পারব। দেশের প্রতিনিধিত্ব করার সম্মানের অনুভূতি সত্যিই দারুণ।’ এই ফেস্টিভ্যাল নিয়ে নিজের প্রত্যাশা ব্যক্ত করে তিনি বলেন, ‘বাংলাদেশের মতো উন্নয়নশীল দেশের তরুণদের মধ্যে যে প্রতিভা, সততা ও পরিশ্রমের মানসিকতা রয়েছে, সেটিকে সার্থক ও সফল রূপ দিতে পারে সম্ভাবনাময় এই আয়োজন। তাই আমার মতো তরুণদের জন্য সুযোগ আছে এখান থেকে আন্তর্জাতিক যোগাযোগ বাড়ানো, বিশেষ করে অন্যান্য দেশের তরুণ প্রতিনিধিদের সঙ্গে মেলবন্ধন করার। পাশাপাশি রাশিয়াসহ বিশ্বের বিভিন্ন দেশ থেকে যে সফল পেশাজীবী, মেন্টররা আসবেন, তাঁদের থেকে শেখার এবং অভিজ্ঞতা বিনিময়ের সুযোগ কাজে লাগাতে চাই। লিথুয়ানিয়ায় পড়াশোনা শেষে দেশে ফিরে নিজের একটি স্টার্টআপ দেওয়ার স্বপ্ন আছে। সে বিষয়ে বিনিয়োগকারী এবং আন্তর্জাতিক মেন্টরশিপ পাওয়ার চেষ্টা থাকবে আমার।’



