বিস্ফোরণের ঘটনায় অন্তত ১৫ জন নিহত হয়েছেন। মস্কোয় বাংলাদেশ দূতাবাস জানিয়েছে, ওই কমপ্লেক্সটি চীনের সিনোপ্যাক ইঞ্জিনিয়ারিং গ্রুপের অধীনে পরিচালিত হয়। দুর্ঘটনায় কয়েকজনের মরদেহ এতটাই পুড়ে গেছে যে তাঁদের পরিচয় শনাক্ত করা সম্ভব হয়নি। নিখোঁজ আলাল হোসেনও এসব মরদেহের মধ্যে থাকতে পারেন।
দূতাবাস জানিয়েছে, আহত সাত বাংলাদেশি শ্রমিককে উন্নত চিকিৎসার জন্য আমুর থেকে মস্কোর একটি বিশেষায়িত হাসপাতালে নেওয়া হচ্ছে। তাঁদের মধ্যে ছয়জন বর্তমানে নিবিড় পরিচর্যাকেন্দ্রে (আইসিইউ) চিকিৎসাধীন। মস্কোয় নেওয়ার পর আহত শ্রমিকদের চিকিৎসার বিষয়টি বাংলাদেশ দূতাবাস দেখভাল করবে বলে জানিয়েছে।