তবে বর্ষাকালে ঝুলন্ত সেতু এলাকায় পর্যটকের আনাগোনা প্রায় কমে যায় বলে জানা গেছে। বিশেষ করে আগস্ট থেকে সেপ্টেম্বরে কাপ্তাই হ্রদের পানি বাড়লে ঝুলন্ত সেতু পানির নিচে চলে যায়। তখন পর্যটকদের নিরাপত্তার স্বার্থে সেতুতে প্রবেশ বন্ধ রাখা হয়।
পর্যটকেরা জানান, একসময় পাহাড়-সমুদ্র দেখতে মানুষ শুধু শীত মৌসুমে যেতেন। বর্ষাকালে খুব একটা ঘুরতে বের হতেন না মানুষ। এখন সে চিত্র পাল্টে গেছে। বিশেষ করে বর্ষার সময় পাহাড়ি এলাকার সৌন্দর্য দেখতে হাজার হাজার পর্যটক পার্বত্যাঞ্চলে ঘুরতে আসেন। কিন্তু তাঁদের অনেকেই রাঙামাটিতে এলেও পানির নিচে ডুবে থাকায় ঝুলন্ত সেতু দেখতে পারেন না, যা তাঁদের হতাশ করে। সেতুকে ঘিরে যে আকর্ষণ তাতে ভাটা পড়ে।
পর্যটন করপোরেশনের হলিডে কমপ্লেক্স সূত্র জানায়, ঝুলন্ত সেতু এলাকা ঘিরে করপোরেশনের নানা ধরনের পরিকল্পনা রয়েছে। সেতু এবং এর দুই পাশকে দৃষ্টিনন্দন ও নান্দনিক করে গড়ে তোলার পরিকল্পনা রয়েছে। এ জন্য পর্যটন করপোরেশন একটি কমিটি গঠন করেছে। কমিটিতে করপোরেশনের কর্মকর্তা ছাড়া পার্বত্য চট্টগ্রাম উন্নয়ন বোর্ড, রাঙামাটি জেলা প্রশাসন, জেলা পরিষদ ও গণপূর্ত অধিদপ্তরের প্রতিনিধি রাখা হয়েছে।


