এরপর আবার পরিবেশনা। হানিফ সংকেত তাঁর সরস বাচনভঙ্গিতে শোনালেন বাতাস নিয়ে একটি গল্প। তা শেষ হলে শুরু হলো বাতাস নিয়েই গান ‘বাবা রে চাচা রে আমারে বাঁচা রে’। এর সঙ্গে নৃত্য পরিবেশনায় অংশ নিলেন জিয়াউল রোশান, তৌসিফ মাহবুব ও শরীফুল রাজ।
চলচ্চিত্র ও ওয়েব ফিল্মের সমালোচনা বিভাগের চারটি পুরস্কার ঘোষণা করলেন উপস্থাপক। বিজয়ীদের হাতে পুরস্কার তুলে দিতে মঞ্চে এলেন নারী উদ্যোক্তা ও বিজিএমইএর প্রথম নারী সভাপতি রুবানা হক। পুরস্কার বিতরণীর পরে ভাওয়াইয়া ‘আবো নওদারীতা মরিয়া’, ‘রাঙামাটির রঙে চোখ জুড়াল’ এবং ‘সূর্যোদয়ে তুমি’সহ চার ধরনের গানের চার রকম নৃত্য পরিবেশন করেন তাসনিয়া ফারিণ, মেহজাবীন চৌধুরী ও সাবিলা নূর।
নাচের রেশ না কাটতেই ঘোষণা করা হলো তারকা জরিপ পুরস্কার। সেরা নবাগত অভিনয়শিল্পী ও বিজয়ী সংগীতশিল্পীদের হাতে পুরস্কার তুলে দেন নন্দিত সংগীতশিল্পী খুরশীদ আলম।
গান হলো, নাচও হলো খানিক আগেই। এবার তো কিছু ব্যতিক্রম প্রয়োজন। সেই ব্যবস্থাও রেখেছিলেন হানিফ সংকেত। মঞ্চে এবার অভিনীত হলো ‘প্রথম হতে চাওয়া’ নিয়ে একটি বিশেষ পরিবেশনা। বাবা চান ছেলে প্রথম হবে। এই প্রথম হওয়া নিয়ে মিশা সওদাগর ও সুমন পাটোয়ারী, মীর সাব্বির ও নাসির উদ্দিন খান এই পর্বে অংশ নেন। কথায় কথায় এল পদ্মা সেতুতে কে প্রথম হেঁটে পার হয়েছেন, কে প্রথম মেট্রোরেলে হেলান দিয়ে সেলফি তুলেছেন—এসব। শেষে মীমাংসার দায়িত্ব বর্তাল উপস্থাপকের ওপরেই।
এরপর ছিল তারকা জরিপের সীমিত দৈর্ঘ্যের কাহিনিচিত্র ও ওয়েব সিরিজের অভিনেতা–অভিনেত্রীর পুরস্কার। বিজয়ীদের হাতে পুরস্কার তুলে দেন নায়ক ইলিয়াস কাঞ্চন।
হিংসা–বিদ্বেষের এই যুগে সম্প্রীতির এখন বড় প্রয়োজন। তরুণ প্রজন্মের ১০ শিল্পীকে নিয়ে সম্প্রীতির গান ‘এসো সবাইকে ভালোবেসে ডাকি’ গেয়ে শোনালেন বিশিষ্ট শিল্পী সৈয়দ আব্দুল হাদী। তাঁর সহশিল্পীরা ছিলেন শাব্বির জামান, কিশোর দাস, অপু আমান, ইমরান মাহমুদুল, অয়ন চাকলাদার, মালিহা তাবাসসুম খেয়া, জিনিয়া জাফরিন লুইপা, অবন্তি সিঁথি, সিঁথি সাহা ও আতিয়া আনিসা।



