যুক্তরাষ্ট্রকে মোকাবিলায় প্রস্তুতি নিচ্ছে কিউবা

যুক্তরাষ্ট্রকে মোকাবিলায় প্রস্তুতি নিচ্ছে কিউবা

যুক্তরাষ্ট্রকে মোকাবিলায় প্রস্তুতি নিচ্ছে কিউবাভেনেজুয়েলার পর এবার মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের নিশানায় উত্তর আমেরিকার দেশ কিউবা। মার্কিন তেল অবরোধের পর থেকেই অন্ধকারে নিমজ্জিত হয়েছে গোটা কিউবা।

যদিও ধীরে ধীরে দেশটির কয়েকটি হাসপাতাল ও ছোটো এলাকায় বিদ্যুৎ সংযোগ ফেরানো হয়েছে। তবে তা মোট জনসংখ্যার তুলনায় খুবই সীমিত। এমন অবস্থায় ভবিষ্যত নিয়ে শংকা জানিয়েছেন স্থানীয় বাসিন্দারা।

জ্বালানি তেলের ঘাটতির কারণে একের পর এক তাপবিদ্যুৎকেন্দ্র অকার্যকর হয়ে পড়ছে। আমি জানি না এ ভোগান্তির শেষ কোথায়। শিশু, মা, বৃদ্ধ, সবাই কষ্ট পাচ্ছে। সেইসঙ্গে খাবারের অভাব তো আছেই। এখন এই ব্ল্যাকআউটের কারণে মানুষের কাছে থাকা সামান্য খাবারও নষ্ট হয়ে যাচ্ছে।

মানুষ আতঙ্কে পাম্পগুলোতে হুমড়ি খেয়ে পড়ায় সংকট শুরু হয়েছে: জ্বালানি মন্ত্রী

যুক্তরাষ্ট্রের কঠোর তেল অবরোধের মুখে দেশজুড়ে বারবার বিদ্যুৎ বিভ্রাটের শিকার হওয়া কিউবা ঘোষণা করেছে যে, তারা ওয়াশিংটনের যেকোনো ধরনের সামরিক আগ্রাসন মোকাবিলা করতে প্রস্তুত।

স্থানীয় সময় রোববার (২২ মার্চ) এনবিসি নিউজের ‘মিট দ্য প্রেস’ অনুষ্ঠানে দেয়া এক সাক্ষাৎকারে কিউবার উপ-পররাষ্ট্রমন্ত্রী কার্লোস ফার্নান্দেজ ডি কসিও জানান, যুক্তরাষ্ট্রের সম্ভাব্য দখলচেষ্টা রুখতে সামরিক প্রস্তুতি নিচ্ছে তারা। ফার্নান্দেজ আরও জানান, কিউবা ঐতিহাসিকভাবেই যেকোনো সামরিক হামলা ঠেকাতে পুরো জাতিকে ঐক্যবদ্ধ করার জন্য প্রস্তুত রয়েছে।

মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডনাল্ড ট্রাম্প সম্প্রতি দ্বীপরাষ্ট্রটি দখল করার যে হুমকি দিয়েছেন, তার প্রতিক্রিয়ায় ডি কসিও জানান, এমন আক্রমণ ঘটার সম্ভাবনা খুব বেশি না থাকলেও কিউবা প্রস্তুতি না নিয়ে বসে থাকার মতো বোকা নয়। তবে শান্তিপূর্ণ ও দায়িত্বশীল সংলাপকেই প্রাধান্য দিচ্ছে হাভানা বলে দাবি করেন ফার্নান্দেজ।

Scroll to Top