পুলিশ ও স্থানীয় বাসিন্দাদের বরাত দিয়ে জানা গেছে, স্থানীয় তরুণ রাশেদুল, আপন ও শামীম সন্ধ্যার পর পাগলাদহ গ্রামে বাজি ফোটাচ্ছিলেন। বাজির বিকট শব্দে এলাকাবাসী অস্থির হয়ে ওঠেন। এ সময় অলিদ ও আরিফ তাঁদের বাজি ফোটাতে নিষেধ করেন। এ নিয়ে দুই পক্ষের মধ্যে বাগ্বিতণ্ডা হয়। একপর্যায়ে আপন ও শামীম মিলে অলিদ ও আরিফকে ছুরি দিয়ে আঘাত করেন। গুরুতর আহত অবস্থায় তাঁদের যশোর জেনারেল হাসপাতালে নেওয়া হলে জরুরি বিভাগের চিকিৎসক অলিদকে মৃত ঘোষণা করেন। আরিফকে উন্নত চিকিৎসার জন্য ঢাকায় পাঠানোর পরামর্শ দেওয়া হয়।
এদিকে অলিদ ও আরিফের স্বজনেরা আপন, রিপন ও শামীমকে মারধর করেন। তাঁরা আহত হয়ে যশোর জেনারেল হাসপাতালে চিকিৎসা নিয়েছেন।
যশোর কোতোয়ালি থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) হাসনাত হোসেন বলেন, পটকা ফোটানোকে কেন্দ্র করে দুই পক্ষের সংঘর্ষে একজন নিহত হয়েছেন। এ ঘটনায় মামলার প্রস্তুতি চলছে।



