মোহামেডানকে হারিয়ে টানা তৃতীয়বার চ্যাম্পিয়ন আবাহনী | চ্যানেল আই অনলাইন

মোহামেডানকে হারিয়ে টানা তৃতীয়বার চ্যাম্পিয়ন আবাহনী | চ্যানেল আই অনলাইন

এই খবরটি পডকাস্টে শুনুনঃ

ঢাকা প্রিমিয়ার ডিভিশন ক্রিকেট লিগে (ডিপিএল) দুই চিরপ্রতিদ্বন্দ্বী মোহামেডান ও আবাহনীর লড়াইটা ছিল অলিখিত ফাইনাল। যারা জিতবে তারা প্রিমিয়ার লিগ চ্যাম্পিয়ন। এমন ম্যাচে মোহামেডানকে ৬ উইকেটে হারিয়ে টানা ততৃীয়বার প্রিমিয়ার লিগ শিরোপা জিতেছে আবাহনী। প্রিমিয়ার লিগে এটি আবাহনীর ২৪তম শিরোপা। অন্যদিকে প্রতিযোগিতায় মোহামেডান শিরোপা জিতেছে ৯বার।

মিরপুরে মঙ্গলবার টসে জিতে ফিল্ডিংয়ের সিদ্ধান্ত নেন আবাহনী অধিনায়ক মোহাম্মদ মিথুন। রনি তালুকদারের নেতৃত্বে ব্যাটে নেমে নির্ধারিত ৫০ ওভারে ৭ উইকেট হারিয়ে ২৪০ রানের সংগ্রহ দাঁড় করায় মোহামেডান। লক্ষ্যে নেমে ৫৬ বল হাতে রেখে ৬ উইকেটের জয় তোলে আবাহনী। ৪৪.৪ ওভারে ৪ উইকেট হারিয়ে ২৪৩ রান করে মিথুনবাহিনী।

রানতাড়ায় শুরুটা ভালো ছিল না আবাহনীর। প্রথম ওভারে শাহারিয়ার কমলকে ফেরান পেসার ইবাদত হোসেন। এরপর পারভেজ হোসেন ইমনকে নিয়ে ৫৬ রানের জুটি গড়েন জিসান আলম। ২৮ রান করা ইমনকে ফিরিয়ে জুটি ভাঙেন মোহাম্মদ সাইফউদ্দিন। পরে দ্রুত মেহেরব হাসানকে তুলে নেন নাসুম আহমেদ। একশর আগেই ৪ উইকেট হারিয়ে বসে আবাহনী।

একপ্রান্ত আগলে রাখেন জিসান আলম। ৫৫ রান করা জিসান ফিরে গেলে জমে ওঠে ম্যাচ। আবাহনীর দুই অভিজ্ঞ ব্যাটার মোসাদ্দেক হোসেন সৈকত ও মোহাম্মদ মিথুনের অবিচ্ছিন্ন ১৩৫ রানের জুটিতে শেষপর্যন্ত জয় নিয়ে মাঠ ছাড়ে জায়ান্টরা।

৬৫ বলে ৬টি চার ৫টি ছক্কায় ৭৮ রানে অপরাজিত থাকেন মোসাদ্দেক। ৭৯ বলে ৬টি চার ও ২টি ছক্কায় ৬৬ রানে অপরাজিত থাকেন মিথুন। মোহামেডানের হয়ে দুটি উইকেট নিয়েছেন নাসুম আহমেদ। একটি করে উইকেট নিয়েছেন সাইফউদ্দিন ও ইবাদত হোসেন।

এরআগে মোহামেডানের মাঝাড়ি ইনিংসে বড় অবদান রাখেন মাহমুদউল্লাহ রিয়াদ ও আরিফুল ইসলাম। তৌফিক খান তুষারের সঙ্গে ওপেনিং জুটিতে ৫০ রান তোলেন রনি তালুকদার। ৪৫ রানে ফেরেন রনি। তার আগে তৌফিককে ফেরান মৃত্যুঞ্জয় চৌধুরী।

এরপর ফরহাদ হোসেন চেষ্টা করেছেন দলকে এগিয়ে নেয়ার। ৪২ রানের মাথায় ফেরেন ফরহাদ। হাল ধরেন অভিজ্ঞ মাহদুউল্লাহ ও আরিফুল। দুজনের গড়েন ১১৪ রানের জুটি। তাতে মাঝারি স্কোর নিশ্চিত হয় মোহামেডানের। মাহমুদউল্লাহ ও আরিফুল দুজনেই ঠিক ৫০ রানে আউট হয়েছেন মোসাদ্দেকের বলে।

আবাহনীর হয়ে মোসাদ্দেক ও মৃত্যুঞ্জয় নেন দুটি করে উইকেট।

Scroll to Top