জুলাই আন্দোলনে হত্যাচেষ্টা মামলায় দুপুরে জামিন পাওয়ার পর বিকেলে কারামুক্ত হলেন সাবেক স্পিকার শিরীন শারমিন চৌধুরী।
রোববার ১২ এপ্রিল সন্ধ্যা সাড়ে ৬টার দিকে কাশিমপুর মহিলা কেন্দ্রীয় কারাগার থেকে জামিনে মুক্ত হন তিনি।
কাশিমপুর মহিলা কেন্দ্রীয় কারাগারের সিনিয়র জেল সুপার কাওয়ালিন নাহার সংবাদমাধ্যমকে বলেন, কারাগারে জামিননামা পৌঁছানোর পরই যথাযথ প্রক্রিয়া অনুযায়ী সন্ধ্যা সাড়ে ৬টায় তাকে মুক্ত করা হয়েছে। পরে তিনি তার পরিবারের সদস্যদের সঙ্গে কারাগার থেকে বের হয়ে যান।
এর আগে গত ৭ এপ্রিল ভোরে শিরীন শারমিন চৌধুরীকে ধানমন্ডিস্থ তার এক আত্মীয়ের বাসা থেকে গ্রেপ্তার করে ডিবি পুলিশ। ওইদিনই তাকে জুলাই আন্দোলনের সময়ের আশরাফুল হত্যাচেষ্টা মামলায় গ্রেপ্তার দেখানো হয়। তার বিরুদ্ধে দুটি হত্যা চেষ্টা ও চারটি হত্যা মামলা রয়েছে।
তবে আসামি পক্ষের আইনজীবী এ বি এম হামিদুল মিজবাহ জানিয়েছিলেন, আর কোনো মামলায় আটকাদেশ না থাকায় শিরীন শারমিনের কারামুক্তিতে বাধা নেই।
২০২৪ সালের ৫ আগস্ট শেখ হাসিনার পলায়ন ও আওয়ামী লীগ সরকারের পতনের পর থেকে প্রকাশ্যে দেখা যায়নি শিরীন শারমিনকে। গত ৭ এপ্রিল ভোরে ধানমন্ডির ৮/এ রোডের একটি বাসা থেকে তাকে গ্রেপ্তার করে ডিবি পুলিশ।
ওই দিনই দুদিনের রিমান্ড আবেদন করেছিল পুলিশ। পক্ষে জামিনের আবেদন করেছিলেন শিরীন শারমিনের আইনজীবী। তবে আদালত উভয়পক্ষের আবেদন নাকচ করে আসামিকে কারাগারে পাঠানোর আদেশ দিয়েছিল।
মামলার বিবরণ অনুযায়ী, জুলাই আন্দোলনের সময় ২০২৪ সালের ১৮ জুলাই বিকেলে আজিমপুর বাসস্ট্যান্ডে আন্দোলন চলছিল। সেখানে দেশি-বিদেশি অস্ত্র নিয়ে তাদের ওপর হামলা চালানো হয়। একটি গুলি আশরাফুল ওরফে ফাহিমের চোখে লাগে। বিভিন্ন হাসপাতালে চিকিৎসা নেন তিনি। এ ঘটনায় গত বছরের ২৫ মে শেখ হাসিনাসহ ১৩০ জনের নাম উল্লেখ এবং অচেনা ১১৫-১২০ জনের বিরুদ্ধে মামলা করেন আশরাফুল। সেই মামলার ৩ নম্বর আসামি শিরীন শারমিন।



