কয়েক দশকের মধ্যে ভয়াবহ ভূমিকম্পে মিয়ানমারে মৃতের সংখ্যা ২ হাজার ৭০০ ছাড়িয়েছে। আহত হয়েছেন সাড়ে ৪ হাজারের বেশি মানুষ।
বার্তা সংস্থা রয়টার্স এক প্রতিবেদনে এই তথ্য জানিয়েছে।
;
ভূমিকম্পে ক্ষতিগ্রস্ত ভবনের নিচে এখনও শত শত মানুষ নিখোঁজ থাকায় মৃতের সংখ্যা ৩ হাজার ছাড়িয়ে যেতে পারে বলে আশঙ্কা করা হচ্ছে। এমতাবস্থায় একতরফা যুদ্ধবিরতির ঘোষণা করেছে বিদ্রোহীরা।
মঙ্গলবার (১ এপ্রিল) এই ঘোষণা দিয়েছে তারা। ভূমিকম্পে সবচেয়ে ক্ষতিগ্রস্ত এলাকায় ত্রাণ তৎপরতা ও উদ্ধার কাজ চালাচ্ছে বিভিন্ন আন্তর্জাতিক সংস্থা। এসব এলাকায় মানুষের আশ্রয়, খাদ্য ও পানি জরুরি হয়ে পড়েছে। কিন্তু দেশজুড়ে গৃহযুদ্ধের কারণে ক্ষতিগ্রস্ত লোকজনের কাছে সহায়তা পৌঁছানো কঠিন হয়ে পড়ছে বলে জানিয়েছেন উদ্ধার কর্মীরা।
মিয়ানমারের জাতিগত সশস্ত্র বিদ্রোহী গোষ্ঠীগুলোর জোট থ্রি ব্রাদারহুড অ্যালায়েন্স জানিয়েছে, উদ্ধার কার্যক্রমের জন্য তারা এক মাসের যুদ্ধবিরতিতে যাচ্ছেন। এ সময়ে কোনো হামলা চালানো হবে না। শুধুমাত্র নিজেদের প্রতিরক্ষায় কাজ করা হবে।
এক যৌথ বিবৃতিতে তিনটি বিদ্রোহী গোষ্ঠী বলছে, আমরা দৃঢ়ভাবে চাই, ভূমিকম্পে ক্ষতিগ্রস্ত জনগোষ্ঠীর কাছে জরুরি মানবিক সহায়তা পৌঁছানো হোক যা তাদের তাৎক্ষণিকভাবে প্রয়োজন।