ম্যাটকে ট্রাম্পের এই মনোনয়ন ভালোভাবে নেননি অনেক রিপাবলিকান আইনপ্রণেতা। যৌন কেলেঙ্কারি, মাদক গ্রহণের অভিযোগ ছাড়াও সাবেক স্পিকার কেভিন ম্যাককার্থির অপসারণের পেছনের কারিগর বলে ম্যাটকে মনে করেন তাঁরা।
নৈতিকতাবিষয়ক কমিটির তদন্ত প্রতিবেদন পাওয়ার আগেই ম্যাটকে অ্যাটর্নি জেনারেল হিসেবে ভোট দেওয়ার (ট্রাম্পের) আহ্বান মেনে নিতে পারেননি অনেক সিনেটর। রাষ্ট্রের বিচার বিভাগ বা কোনো স্তরে আইনজীবী হিসেবে কাজ না করা ম্যাটকে অ্যাটর্নি জেনারেলের মতো গুরুত্বপূর্ণ পদে বেছে নেওয়ার বিষয়টিও ভালোভাবে নেননি অনেক আইনপ্রণেতা।