সদর ইউনিয়নের প্রশাসক আবদুল জলিল বলেন, এখনো চাল বিতরণ শুরু হয়নি, কার্ড তৈরির কাজ চলছে। এর মধ্যেই ব্যক্তিগতভাবে কার্ড চাওয়াকে কেন্দ্র করে এ ঘটনা ঘটে। বিষয়টি তিনি প্যানেল চেয়ারম্যানকে সঙ্গে নিয়ে উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তাকে (ইউএনও) জানিয়েছেন। তবে উপজেলা বিএনপিকে ২০ শতাংশ কার্ড দেওয়ার বিষয়ে তিনি বলেন, দলীয়ভাবে কিছু তালিকা দেওয়ার কথা শোনা গেছে, যাতে যাচাই-বাছাই করে কার্ড দেওয়া যায়।
অভিযোগ অস্বীকার করে আশিকুর রহমান বলেন, তিনি কাউকে মারধর করেননি। তাঁর সঙ্গে শুধু কথা-কাটাকাটি হয়েছে। ভিজিএফ কার্ডের ভাগ নিয়েও কোনো কথা হয়নি। একটি গোডাউনের লাইসেন্স–সংক্রান্ত বিষয় নিয়ে তাঁদের মধ্যে আগের বিরোধ ছিল।
এ বিষয়ে কথা বলতে বকশীগঞ্জ উপজেলা বিএনপির সভাপতি মানিক সওদাগরের মুঠোফোনে একাধিকবার কল করা হলেও তিনি সাড়া দেননি।



