ঋণের সীমা এখন দ্বিগুণ
ক্রেডিট কার্ডের ক্রমবর্ধমান চাহিদা বিবেচনা করে বাংলাদেশ ব্যাংক তাদের নীতিমালায় যুগান্তকারী পরিবর্তন এনেছে। আগে ক্রেডিট কার্ডের বিপরীতে জামানতহীন ঋণের সীমা ছিল ১০ লাখ টাকা, যা এখন বাড়িয়ে ২০ লাখ টাকা করা হয়েছে। এ ছাড়া জামানতের বিপরীতে ঋণের সীমা ২৫ লাখ থেকে বাড়িয়ে ৪০ লাখ টাকা করা হয়েছে।
নতুন নীতিমালার আরও একটি গুরুত্বপূর্ণ দিক হলো—এখন থেকে কার্ডধারীরা তাঁদের মোট ক্রেডিট সীমার সর্বোচ্চ ৫০ শতাংশ পর্যন্ত নগদ অর্থ উত্তোলন করতে পারবেন। এটি জরুরি আর্থিক প্রয়োজনে গ্রাহকদের জন্য এক বিশাল বড় প্রাপ্তি।
সিটি ব্যাংক পিএলসির হেড অব কার্ডস তৌহিদুল আলম বলেন, ‘আমরা প্রিমিয়াম সেগমেন্টের গ্রাহকদের চাহিদা অনুযায়ী ৪০ লাখ টাকা পর্যন্ত ক্রেডিট লিমিট দিচ্ছি, যা ব্যাপক ইতিবাচক সাড়া পাচ্ছে। এ ছাড়া সাপ্লিমেন্টারি কার্ডহোল্ডারদের জন্য ১৬ বছর বয়সের সীমা নির্ধারণ করায় নতুন প্রজন্মকে আর্থিক ব্যবস্থার সঙ্গে পরিচিত করার সুযোগ তৈরি হয়েছে। তবে এ ক্ষেত্রে যথাযথ তদারকি ও দায়িত্বশীল ব্যবহার নিশ্চিত করাও গুরুত্বপূর্ণ।’
এ বিষয়ে ব্র্যাক ব্যাংকের কর্মকর্তার মুখেও একই কথা। মো. মাহীয়ুল ইসলাম বলেন, ‘কেন্দ্রীয় ব্যাংকের নতুন সিদ্ধান্তের কারণে ব্যাংকগুলোর একটি বাধা দূর হয়েছে। আমাদের অনেক গ্রাহক ক্রেডিট কার্ডের মাধ্যমে পেমেন্টের চাহিদা বেশি। তারা ঋণসীমা বাড়ানোর অনুরোধ করতেন, কিন্তু কেন্দ্রীয় ব্যাংকের সীমাবদ্ধতা থাকায় আমরা তা করতে পারতাম না। এই সময়োপযোগী উদ্যোগের ফলে আমরা এখন গ্রাহকদের চাহিদা অনুযায়ী আরও উন্নত সেবা দিতে পারব।’



