রাজধানীর খুচরা বাজারে ব্রয়লার ও সোনালি মুরগির দাম কেজিতে ২০ টাকা বেড়েছে। পাশাপাশি দাম বেড়েছে আলু, বেগুন, কাঁচা মরিচের। এ ছাড়া কয়েক ধরনের চালের দামও কিছুটা বেড়েছে। সরবরাহ সংকটের কারণে এসব পণ্যের দাম বেড়েছে বলে জানান ব্যবসায়ীরা।
রাজধানীর বিভিন্ন বাজার ঘুরে দেখা যায়, চলতি সপ্তাহের শুরুতেও প্রতি কেজি ব্রয়লার মুরগি ১৭০ থেকে ১৮০ টাকায় বিক্রি হয়েছে। তবে তিন-চার দিন আগে কেজিতে ২০ টাকা দাম বেড়েছে। রাজধানীর বাজারে প্রতি কেজি ব্রয়লার ১৯০ থেকে ২০০ টাকায় বিক্রি হয়েছে। সোনালি মুরগির দামও কেজিতে ২০ টাকা বেড়েছে। গত সপ্তাহে ধরনভেদে প্রতি কেজি সোনালি মুরগি ২৮০ থেকে ৩৩০ টাকায় বিক্রি হলেও বৃহস্পতিবার সোনালি মুরগি বিক্রি হয়েছে ৩০০ থেকে ৩৫০ টাকায়।
বাজারে বেড়েছে আলুর দামও। এক মাস আগে প্রতি কেজি আলু ২০ থেকে ২৫ টাকায় বিক্রি হলেও এখন তা বিক্রি হচ্ছে ২৫ থেকে ৩০ টাকায়, অর্থাৎ দাম বেড়েছে ২২ শতাংশ।
সরকারি প্রতিষ্ঠান ট্রেডিং করপোরেশন অব বাংলাদেশের (টিসিবি) তথ্য অনুসারে, গত এক মাসে দেশি রসুনের দাম বেড়েছে ১৫ শতাংশ। বর্তমানে প্রতি কেজি দেশি রসুন ৯০ থেকে ১৪০ টাকায় বিক্রি হচ্ছে, যা এক মাস আগে ছিল ৬০ থেকে ১৪০ টাকা।
টিসিবির তথ্য অনুসারে, এক মাসের ব্যবধানে খুচরা বাজারে নাজিরশাইল ও মিনিকেটের মতো সরু চালের দাম কেজিতে ২ টাকা বেড়ে ৭২ থেকে ৮৫ টাকা হয়েছে। এ ছাড়া পাইজাম, ব্রি-২৮ চালের দাম কেজিতে ২ থেকে ৩ টাকা ও মোটা চালের দাম কেজিতে ১ থেকে ২ টাকা বেড়েছে। তাছাড়া সবচেয়ে বেশি বেড়েছে চিনিগুঁড়া বা পোলাওয়ের চালের দাম। গত এক মাসে কেজিতে ১৫ টাকা বেড়ে প্রতি কেজি খোলা পোলাওয়ের চাল ১৬০ থেকে ১৭০ টাকায় বিক্রি হচ্ছে।
রাজধানীর বাজারে এক সপ্তাহের ব্যবধানে কাঁচা মরিচ ও বেগুনের দামও বেড়েছে। বৃহস্পতিবার প্রতি কেজি কাঁচা মরিচ ১২০ থেকে ১৬০ টাকায় বিক্রি হয়েছে। আর বেগুন বিক্রি হয়েছে ৭০ থেকে ১০০ টাকায় যা গত সপ্তাহের তুলনায় কেজিতে ২০ টাকা বেড়েছে।



