অবশ্য চীন সফরের আগে গতকাল মঙ্গলবার ট্রাম্প বলেন, ‘ইরান বিষয়ে আমাদের কোনো সাহায্যের প্রয়োজন নেই বলে আমি মনে করি। শান্তিপূর্ণ উপায়ে হোক বা অন্য কোনোভাবে, আমরাই এই যুদ্ধে জয়ী হব।’ ইরান সংকট সমাধানে চীনের প্রেসিডেন্ট সি চিন পিংয়ের সাহায্যের প্রয়োজন দেখছেন কি না, এমন এক প্রশ্নের জবাবে ট্রাম্প এ কথা বলেন।
তবে বার্তা সংস্থা রয়টার্সের এক প্রতিবেদনে বলা হয়, ট্রাম্প যতই বলুন না কেন ইরান যুদ্ধ বন্ধে চীনের প্রয়োজন হবে না, প্রকৃত বিষয় হলো সির সঙ্গে বৈঠকে ট্রাম্প ইরান প্রসঙ্গটি গুরুত্বসহকারে ওঠাবেন বলে ধারণা করা হচ্ছে। তিনি বেইজিংকে উৎসাহিত করবেন, যাতে তারা তেহরানকে ওয়াশিংটনের সঙ্গে শান্তিচুক্তি করাতে রাজি করায়।
ওয়াশিংটনভিত্তিক চিন্তন প্রতিষ্ঠান স্টিমসন সেন্টারের ন্যাশনাল সিকিউরিটি রিফর্ম প্রোগ্রামের পরিচালক ড্যান গ্রেজিয়ার আল–জাজিরাকে বলেন, ‘ইরানকে আলোচনার টেবিলে ফিরিয়ে আনতে এবং সমঝোতায় সম্মত হতে চাপ দিতে অন্তত সি চিন পিংকে পাশে পেতে চাইবেন ট্রাম্প। এ বিষয়ে আমার কোনো সন্দেহ নেই।’



