টি-টুয়েন্টি বিশ্বকাপের ‘বি’ গ্রুপে আয়ারল্যান্ড ও জিম্বাবুয়ের গুরুত্বপূর্ণ ম্যাচ। তবে এই ম্যাচটি সমানভাবে গুরুত্বপূর্ণ অস্ট্রেলিয়ার জন্য। কারণ জিম্বাবুয়ের বড় হার ও নানা সমীকরণের উপর টিকে ছিল এবারের বিশ্বকাপে অজিদের টিকে থাকা। পাল্লেকেলেতে জিম্বাবুয়ে ও আয়ারল্যান্ডের সেই ম্যাচ বৃষ্টিতে ভেসে গেছে। এক পয়েন্ট নিয়ে সুপার এইটে পৌঁছে গেছে জিম্বাবুয়ে।
আয়ারল্যান্ড ও জিম্বাবুয়ের ম্যাচে কোনো বল গড়ানো ছাড়াই ম্যাচ পরিত্যক্ত হয়েছে। এতে জিম্বাবুয়ে এক পয়েন্ট পাওয়ায় কপাল পুড়েছে অস্টেলিয়ার। ভাগ্যের সুতায় যে সামান্য পরিমাণ সম্ভাবনা টিকে ছিল সেটিও ছিড়ে গেছে আপাতত। ফলে এবারের আসরে গ্রুপপর্ব থেকে বিদায় নিতে হল সাবেক চ্যাম্পিয়নদের।
অস্ট্রেলিয়ার দুর্দশা শুরু হয়েছিল জিম্বাবুয়ের বিপক্ষে দ্বিতীয় ম্যাচে হারের মাধ্যমে। কলম্বোর আর প্রেমাদাসা স্টেডিয়ামে শুক্রবার টসে জিতে জিম্বাবুয়েকে ব্যাটিংয়ে আমন্ত্রণ জানিয়েছিল অস্ট্রেলিয়া। অজিদের বিপক্ষে ব্যাটিং-বোলিংয়ে দুর্দান্ত পারফরম্যান্সে ২৩ রানে জিতেছিলেন সিকান্দার রাজার দল।
নিজেদের তৃতীয় ম্যাচে লঙ্কানদের কাছে দলটি হেরেছে ৮ উইকেটের বিশাল ব্যবধানে হারে অজিরা। ফলে বিশ্বকাপের গ্রুপপর্ব থেকে বিদায় নেয়ার দ্বারপ্রান্তে ছিল মিচেল মার্শের দল। দলটির হাতে থাকা এক ম্যাচে ওমানকে হারাতে হতো বিশাল ব্যবধানে। এরপর জিম্বাবুয়েকে পরের দুই ম্যাচে আয়ারল্যান্ড ও শ্রীলঙ্কার বিপক্ষে হারতে হতো বিশাল ব্যবধানে। তবে সেই সমীকরণে যাওয়ার আগের বিদায় নিশ্চিত হয়েছে অজিদের।
‘বি’ গ্রুপ থেকে তিন খেলায় শতভাগ জয়ে ৬ পয়েন্ট নিয়ে সুপার এইট নিশ্চিত করেছে শ্রীলঙ্কা। বৃষ্টিবিঘ্নিত ম্যাচে এক পয়েন্টে পাঁচ পয়েন্ট নিয়ে দ্বিতীয় দল হিসেবে সুপার এইট নিশ্চিত হয়েছে জিম্বাবুয়ের। তিন পয়েন্ট নিয়ে তিনে আয়ারল্যান্ড ও ২ পয়েন্ট নিয়ে চারে অস্ট্রেলিয়া।
নিজেদের করুণ অবস্থা নিয়ে অজিদের অধিনায়ক মার্শ বলেছিলেন, ‘পুরো দলটি এখন বেশ বিধ্বস্ত। ড্রেসিংরুমে এখন ভীষণ আবেগী মুহূর্ত চলছে। দলটা ভেঙে পড়েছে। আমরা সেরা খেলাটা খেলতে পারিনি। এখন সবকিছুই ঈশ্বরের হাতে। আমি নিশ্চিত যে আমরা সবাই জিম্বাবুয়ে-আয়ারল্যান্ড ম্যাচ দেখব। সবাই একসাথে দেখব কিনা তা সময়ই বলে দেবে। আপনারা কী বলেন?’




