আবু সেলিম প্রথম আলোকে বলেন, ‘আমার লক্ষ্য হলো এই উন্নত পূর্বাভাস পদ্ধতি যেন শুধু যুক্তরাষ্ট্রে সীমাবদ্ধ না থাকে। দক্ষিণ এশিয়া, বিশেষ করে বাংলাদেশে বায়ুদূষণ পরিস্থিতি বোঝতে ও আগাম সতর্কতা দিতে এই ধরনের মডেল কীভাবে ব্যবহার করা যায়, সেটিই আমার প্রধান লক্ষ্য ও উদ্দেশ্য।’ তিনি বলেন, বাংলাদেশে এখনো বায়ুদূষণ সম্পর্কে মানুষ সাধারণত ঘটনার সময় অনুভব করতে পারেন কিন্তু তখন করার কিছুই থাকে না। কিন্তু যদি আগেই জানা যায় কোনো দিন বা কোনো এলাকায় দূষণ ঝুঁকিপূর্ণ পর্যায়ে যেতে পারে, তাহলে সাধারণ মানুষ থেকে শুরু করে সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষ আগাম ব্যবস্থা নিতে পারে। এতে অনেক রোগ থেকে জনগণ মুক্তি পাবে।
বাংলাদেশ ও দক্ষিণ এশিয়ায় পরিবেশ ও বায়ুদূষণ–সম্পর্কিত বিভিন্ন প্রকল্পে কাজ করার অভিজ্ঞতায় আবু সেলিম বলেন, ‘শুধু দূষণের পরিমাপ থাকলেই যথেষ্ট নয় প্রয়োজন ভবিষ্যৎ সম্পর্কে নির্ভরযোগ্য ধারণা। বর্তমানে আমার গবেষণায় যুক্তরাষ্ট্রের উচ্চ রেজোল্যুশনের স্যাটেলাইট ভিত্তিক মডেল ও ডেটা সেট ব্যবহার করা হচ্ছে। এই মডেলগুলোর মাধ্যমে বায়ুপ্রবাহ, আবহাওয়ার পরিবর্তন ও দূষণের উৎস একসঙ্গে বিশ্লেষণ করা সম্ভব।’



