বিসিবি নির্বাচনে জেলা ও বিভাগের এডহক কমিটি থেকে কাউন্সিলর চেয়ে বোর্ড সভাপতি আমিনুল ইসলাম বুলবুলের চিঠির কার্যক্রম স্থগিত করে দেয়া হাইকোর্টের আদেশ স্থগিত করেছেন আপিল বিভাগ। হাইকোর্টের আদেশ স্থগিত চেয়ে রাষ্ট্রপক্ষের আবেদনের শুনানি নিয়ে সোমবার বিকেলে চেম্বার বিচারপতি ফারাহ মাহবুব আদেশটি দেন।
আদালতে রাষ্ট্রপক্ষে ছিলেন অতিরিক্ত অ্যাটর্নি জেনারেল আরশাদুর রউফ। বিজ্ঞপ্তিতে বিসিবি বিষয়টি জানিয়েছে।
বলা হয়েছে, বিসিবির চিঠিকে চ্যালেঞ্জ করে এ.বি.এম. মঞ্জুরুল আলম দুলালসহ কয়েকজন মিলে একটি রিট পিটিশন দায়ের করেন। শুনানির পর হাইকোর্ট বিভাগ সন্তুষ্ট হন এবং বিসিবির চিঠির কার্যকারিতার উপর স্থগিতাদেশ জারি করেন। পরে রাষ্ট্রপক্ষ সুপ্রিম কোর্টের আপিল বিভাগে দেওয়ানি বিবিধ আবেদন আকারে আপিল দায়ের করে। আবেদনের শুনানি শেষে বাংলাদেশ আপিল বিভাগ হাইকোর্টের আদেশের কার্যকারিতা স্থগিত করেছেন।
এর আগে, জেলা ও বিভাগীয় পর্যায়ের কাউন্সিলর মনোনয়ন নিয়ে বিসিবি সভাপতি আমিনুল ইসলাম বুলবুলের পাঠানো চিঠির বৈধতাকে চ্যালেঞ্জ জানিয়ে ৪ প্রার্থী হাইকোর্টে রিট আবেদন করেন। সোমবার বিকেল সাড়ে ৩টায় রিটের শুনানি শেষে আদালত ওই চিঠির কার্যকারিতা ১৫ দিনের জন্য স্থগিত করেন, বিচারপতি মো. মজিবুর রহমান মিয়া ও বিচারপতি বিশ্বজিৎ দেবনাথের বেঞ্চ আদেশটি দেন। একইসঙ্গে বিসিবি নির্বাচনে জেলা ও বিভাগের এডহক কমিটি থেকে কাউন্সিলর চেয়ে বিসিবি সভাপতির চিঠি কেন অবৈধ নয়, তা জানতে চেয়ে রুল জারি করেছেন হাইকোর্ট। আগামী ১০ কার্যদিবসের মধ্যে রিটের জবাব দিতে বলা হয় বিসিবিকে।
উল্লেখ্য, ১৮ সেপ্টেম্বর বিসিবি সভাপতি স্বাক্ষরিত চিঠিটি যুব ও ক্রীড়া মন্ত্রণালয়ের সচিবের কাছে পাঠানো হয়েছিল। ওই চিঠি অনুসারে কাউন্সিলর মনোনয়ন প্রক্রিয়ায় অ্যাডহক কমিটির বাধ্যবাধকতার বিষয়টি প্রশ্নের মুখে পড়ে।




