ঐকমত্যের ভিত্তিতে নির্বাচনকালীন তত্ত্বাবধায়ক সরকারব৵বস্থা ও এর কাঠামো ঠিক করার পরামর্শ দিয়েছেন অনেক সম্পাদক ও সাম্পাদিকেরা। বৈঠক সূত্র বলছে, রাষ্ট্রপতিকে তত্ত্বাবধায়ক সরকারের প্রধান না করা, বিচার বিভাগকে এই প্রক্রিয়ার বাইরে রাখারও পরামর্শ এসেছে। বাংলাদেশের বাস্তবতায় দ্বিকক্ষবিশিষ্ট সংসদের প্রয়োজনীয়তা আছে কি না, এ প্রশ্নও কেউ কেউ তুলেছেন। এটি করতে হলে এমনভাবে করতে হবে, যাতে উচ্চকক্ষে শুধু নিম্নকক্ষের আসনসংখ্যার অনুপাতে প্রতিনিধিত্ব চালু না করা হয়। মোটকথা, ভিন্নমত ও বিরোধী দলের কার্যকর প্রতিনিধিত্ব রাখার কথা এসেছে।
সভা শেষে সংবাদ সম্মেলনে বিশেষ কমিটির সভাপতি স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী সালাহউদ্দিন আহমদ বলেন, বিশিষ্ট সাংবাদিকেরা কমিটিকে বিভিন্ন মতামত ও পরামর্শ দিযেছেন। অনেকে পরবর্তী সময়ে লিখিত আকারে তাঁদের প্রস্তাবগুলো পাঠাবেন বলেও জানিয়েছেন।
সাংবাদিকদের প্রশ্নের জবাবে সালাহউদ্দিন আহমদ বলেন, সম্পাদকদের মধ্যে অনেকেই প্রস্তাব দিয়েছেন যেন বিরোধী দলকে বিশেষ কমিটিতে অংশগ্রহণ করানোর জন্য আহ্বান জানানো হয়। কমিটিও এ বিষয়ে একমত। বিরোধী দল কমিটিতে এসে বক্তব্য দিলে সবার মতামতের ভিত্তিতে তা গ্রহণ করা বা ধারণ করা যেত।
আরেক প্রশ্নের জবাবে বিশেষ কমিটিপ্রধান বলেন, তাঁরা সংবিধান সংশোধনের কাজটি ঐকবদ্ধভাবে করতে চান। বিরোধী দলের প্রতি তাঁদের আহ্বান থাকবে অবিরাম।



