পিলখানায় বিজিবি দিবসের অনুষ্ঠানে বিজিবি সদস্যদের কখনো শৃঙ্খলার ব্যাঘাত না ঘটানোর আহ্বান জানিয়ে চেইন অব কমান্ড মেনে কাজ করার নির্দেশ দিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা।
সোমবার ৪ মার্চ বাহিনীর সদর দপ্তর পিলখানায় ‘বিজিবি দিবস’ উপলক্ষে আয়োজিত অনুষ্ঠানে এসব কথা বলেন তিনি। অনুষ্ঠানে ৭২ জন বিজিবি সদস্যকে পদকে ভূষিত করা হয়।
অনুষ্ঠানে প্রধানমন্ত্রী বলেন, বিডিআর বিদ্রোহের মতো ঘটনা ভবিষ্যতে যেনো না ঘটে সেজন্য বিদ্রোহে জড়িতদের বিচারের আওতায় আনা হয়েছে। অগ্নি সন্ত্রাসের বিরুদ্ধে দায়িত্ব পালনে বিজিবি’র প্রশংসা করেছেন প্রধানমন্ত্রী।
প্রধানমন্ত্রী বলেন, মানবিক কারণে তাদের (রোহিঙ্গা) আশ্রয় দেয়া হয়েছে। তাদের ফেরত পাঠাতে মিয়ানমারের সঙ্গে আলোচনা চলছে। প্রতিবেশীদের সঙ্গে আমরা ঝগড়ায় যাইনি। আলোচনার মাধ্যমে এ সমস্যার সমাধান করব। সীমান্ত রক্ষায় সর্বদা কাজ করে চলেছে বিজিবি।

বিজিবি সদস্যদের উদ্দেশ্য করে শেখ হাসিনা বলেন, কখনোই শৃঙ্খলার ব্যাঘাত ঘটাবেন না, চেইন অব কমান্ড মেনে চলবেন। বিজিবি বিশ্বমানের আধুনিক সীমান্ত বাহিনী হিসেবে গড়ে উঠবে। সেভাবেই সরকার কাজ করছে। বাংলাদেশের মানুষের আস্থার প্রতীক হিসেবে সীমান্তে অতন্দ্র প্রহরী হিসেবে কাজ করবে।
মুক্তিযুদ্ধের সময় বঙ্গবন্ধুর দেয়া স্বাধীনতার ঘোষণা যেভাবে সারা দেশে পৌঁছে দেয় ইপিআর, (বিজিবির ওই সময়কার নাম) পিলখানায় সেই কথা স্মরণ করেন প্রধানমন্ত্রী।
সোমবার সকাল সাড়ে ৯টায় বিজিবি সদর দফতরে বীরউত্তম আনোয়ার হোসেন প্যারেড গ্রাউন্ডে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত হন৷ তিনি আনুষ্ঠানিক কুচকাওয়াজ পরিদর্শন ও অভিবাদন গ্রহণ করেন।



