বিচার প্রক্রিয়ায় সেনাবাহিনীর সহযোগিতা প্রশংসনীয় : আইন উপদেষ্টা

বিচার প্রক্রিয়ায় সেনাবাহিনীর সহযোগিতা প্রশংসনীয় : আইন উপদেষ্টা

আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনালে সেনা কর্মকর্তাদের উপস্থিত হওয়া অত্যন্ত প্রশংসার দাবিদার বলে মনে করেন আইন, বিচার ও সংসদ বিষয়ক উপদেষ্টা অধ্যাপক আসিফ নজরুল। মামলার আসামি হিসেবে তাদের কোথায় রাখা হবে সেটা স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের বিষয় বলেও তিনি জানান।

বিচার প্রক্রিয়ায় সেনাবাহিনীর সহযোগিতা প্রশংসনীয় : আইন উপদেষ্টাবিচার প্রক্রিয়ায় সেনাবাহিনীর সহযোগিতা প্রশংসনীয় : আইন উপদেষ্টা

বুধবার (২২ অক্টোবর) সচিবালয়ে সাংবাদিকদের এক প্রশ্নের উত্তরে আইন উপদেষ্টা এ কথা জানান।

আসিফ নজরুল বলেন, আজকে আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনালে বিচার প্রক্রিয়ার প্রতি শ্রদ্ধাবোধ দেখিয়ে সেনা সদস্যরা যেভাবে এসেছেন বা যেভাবে ওনাদের নিয়ে আসা হয়েছে, এখানে সেনা প্রশাসন বা সেনাবাহিনীর ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারা, সেনাপ্রধান—ওনারা যেভাবে সহযোগিতা করেছেন এটা অত্যন্ত প্রশংসার দাবিদার। তারা আইনে শাসনের প্রতি যে শ্রদ্ধাবোধ দেখিয়েছেন এটা আমরা খুব পজিটিভলি (ইতিবাচকভাবে) দেখছি।

এক প্রশ্নের জবাবে আইন উপদেষ্টা বলেন, সাব জেলে কেন রাখা হয়েছে বা ওনাদের কোথায় রাখা হবে এটা সম্পূর্ণভাবে স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের দায়িত্বভুক্ত বিষয়। ওনারা যেটা প্রয়োজন, যেটা অ্যাপ্রোপ্রিয়েট মনে করবেন এটা ওনারা করবেন। এটার জবাব দেওয়ার এখতিয়ার আমার নেই।

পতিত ফ্যাসিবাদী আওয়ামী লীগের আমলে গুম এবং জুলাই গণঅভ্যুত্থানে সংঘটিত হত্যাকাণ্ডসহ মানবতাবিরোধী অপরাধের পৃথক তিন মামলায় অভিযুক্ত ১৫ সেনা কর্মকর্তাকে বুধবার ঢাকা সেনানিবাসের ‘সাবজেল’ থেকে আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনাল থেকে নেওয়া হয়। পরে আদালত ওই কর্মকর্তাদের কারাগারে পাঠানোর আদেশ দেন। এছাড়া মামলায় শেখ হাসিনাসহ অন্য পলাতক আসামিদের বিষয়ে সাতদিনের মধ্যে পত্রিকায় বিজ্ঞপ্তি প্রকাশ করতে বলা হয়েছে।

এ তিন মামলায় ২৫ জন সাবেক-বর্তমান সেনা কর্মকর্তাসহ মোট ৩২ জন আসামি। তাদের বিরুদ্ধে সম্প্রতি ট্রাইব্যুনাল থেকে গ্রেপ্তারি পরোয়ানা জারি হলে ১৫ সেনা কর্মকর্তাকে সেনা হেফাজতে নেওয়ার তথ্য জানা যায়।

জুবায়েদ হত্যা ছাত্রী ও প্রেমিকের নির্দেশে, পরিকল্পনা একমাস আগের

গত ১১ অক্টোবর ঢাকা সেনানিবাসের মেসে এক সংবাদ সম্মেলনে সেনাবাহিনীর অ্যাডজুট্যান্ট জেনারেল মেজর জেনারেল মো. হাকিমুজ্জামান বলেন, যেসব কর্মকর্তার বিরুদ্ধে চার্জশিট হয়েছে তাদের মধ্যে ১৫ জন বর্তমানে সেনা হেফাজতে আছেন। চার্জশিটে প্রায় ২৫ সেনা কর্মকর্তার নাম এসেছে। এর মধ্যে অবসরে আছেন ৯ জন, এলপিআরে একজন এবং কর্মরত আছেন ১৫ জন। যারা অবসরে গেছেন, তাদের ক্ষেত্রে আমাদের সেনা আইন প্রযোজ্য নয়।

Scroll to Top