বাগেরহাট-১ (চিতলমারী-ফকিরহাট-মোল্লাহাট)
আসনটিতে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করতে ১১ জন মনোনয়নপত্র জমা দিয়েছিলেন। এর মধ্যে চারজনের মনোনয়নপত্র বাতিল হয়েছে। এখানে বিএনপির প্রার্থী কপিল কৃষ্ণ মণ্ডল। হিন্দু সম্প্রদায়ের এই নেতা কিছুদিন আগে বিএনপিতে যোগ দেন।
জেলা বিএনপির সাবেক সভাপতি এম এ এইচ সেলিমের পাশাপাশি জেলা বিএনপির আহ্বায়ক কমিটির সদস্য শেখ মাসুদ রানাও এখানে স্বতন্ত্র প্রার্থী হয়েছেন। শেষ পর্যন্ত দুজনই নির্বাচনের মাঠে থাকলে তা ভোটের সমীকরণে বড় প্রভাব ফেলতে পারে বলে মনে করছেন স্থানীয় ভোটাররা।
জানতে চাইলে মাসুদ রানা বলেন, ‘দীর্ঘ ১৭ বছর বাগেরহাটে আন্দোলন–সংগ্রামে বিএনপিকে আমি বাঁচিয়ে রেখেছি। আমি বিএনপির আদর্শে বিশ্বাসী একজন সৈনিক। যেহেতু জনগণের রাজনীতি করছি, জনগণের সঙ্গে আছি; সেহেতু আমি শতভাগ আশাবাদী, তারা আমাকে সংসদে নেবে ইনশা আল্লাহ।’
অবশ্য বিএনপির প্রার্থী কপিল কৃষ্ণ মণ্ডল বলেন, ‘সাধারণ মানুষ আমাকে আন্তরিকভাবে গ্রহণ করেছে, বুকে টেনে নিচ্ছে। দলীয় নেতা-কর্মীরাও খুব আন্তরিকভাবে আমাকে সাহায্য করছেন। জনগণের যে অভূতপূর্ব সাড়া, তাতে আমি জয়ের ব্যাপারে আশাবাদী।’ বিদ্রোহী প্রার্থীদের বিষয়ে দল সিদ্ধান্ত নেবে বলেও মন্তব্য করেন তিনি।
আসনটিতে জামায়াত প্রার্থী মো. মশিউর রহমান খান। তিনি দলের কেন্দ্রীয় মজলিসে শুরা সদস্য ও খুলনা অঞ্চল টিম সদস্য। আসনটিতে বাংলাদেশ খেলাফত মজলিসের আমির মাওলানা মো. মামুনুল হকও প্রার্থী হয়েছেন। তিনি ঢাকা-১৩ আসনেও প্রার্থী হয়েছেন। জামায়াতের সঙ্গে সমঝোতা হলে শেষ পর্যন্ত বাগেরহাট-১–এ মামুনুল হক প্রার্থিতা প্রত্যাহার করতে পারেন বলে আলোচনা আছে।
‘লেভেল প্লেয়িং ফিল্ড’ থাকলে নির্বাচনে জয় নিয়ে আশাবাদী জামায়াতের প্রার্থী মো. মশিউর রহমান খান। তিনি বলেন, ‘জামায়াতে ইসলামী জোটের হয়ে নির্বাচন করতে পারলে আমরা এখানে বিজয়ের ব্যাপারে খুবই আশাবাদী। দীর্ঘদিন ধরে এই অঞ্চলে কাজ করে আসছি।’
এর বাইরে এখানে প্রার্থী হয়েছেন বাংলাদেশ মুসলিম লীগের আবু সবুর শেখ ও এবি পার্টির মোহাম্মদ আমিনুল ইসলাম।


