দুদিন ধরে খনন কাজ চলছে কক্সবাজারের হিমছড়ি সমুদ্র সৈকতে। বালিয়াড়ি সরানোর পর সেখান থেকে উদ্ধার করা হয় মৃত তিমির বিশাল হাঁড়।
মঙ্গলবার (২৩ জানুয়ারি) জায়গাটি খনন করে সংগ্রহ করা হয় তিন বছর পর পুঁতে রাখা মৃত তিমির কঙ্কাল। সোমবার থেকে শুরু হয় বিশাল এ কর্মযজ্ঞ।
ঘটনাস্থলের কর্মকর্তাদের সাথে কথা বলে জানা যায়, ২০২১ সালের ২১ এপ্রিল সৈকতের হিমছড়ি অংশে বিরাট মৃত তিমি ভেসে আসে। ঐসময় তিমিটি সৈকতের বালিয়াড়িতে পুঁতে ফেলা হয়। বাংলাদেশ সমুদ্র গবেষণা ইনস্টিটিউটের উদ্যোগে বর্তমানে চলছে তিমিটির হাঁড় উদ্ধারের কাজ।

বাংলাদেশ সমুদ্র গবেষণা ইন্সটিটিউটের সিনিয়র সাইন্টিফিক অফিসার মোহাম্মদ জাকারিয়া বলেন, আমরা যেহেতু সমুদ্র গবেষণা নিয়ে কাজ করছি সমুদ্র সম্পর্কিত সকল তথ্য বা সমুদ্র সাক্ষরতা এবং মানুষকে সমুদ্রের প্রতি আগ্রহ করার জন্য তিমিটির কঙ্কাল সমুদ্র গবেষণা ইনস্টিটিউট সংগ্রহ করে প্রদর্শনী করবে। যাতে এ সম্পর্কিত গবেষণা কার্যক্রম ভবিষ্যতে করা যায় এবং যারা সমুদ্র সম্পর্কে আগ্রহীরা যাতে এগুলো দেখতে পারে এবং গবেষণার প্রতি আগ্রহ তৈরি হয়। এটাই হলো আমাদের উদ্দেশ্য।
তিনি বলেন, দেশের বিভিন্ন বিশেষজ্ঞদের সমন্বয়ে একটি টিম করা হয়েছে। তারা এটাকে সংরক্ষণ করার জন্য কাজ করবে। যেখানে আর্কিওলজিস্ট এবং জাতীয় জাদুঘরের দুজন বিশেষজ্ঞ আছে। তারা এই কঙ্কালের পূর্ণাঙ্গ অভয়ব তৈরি করবে।

তিনি আরও বলেন, দুদিন ধরে কাজটা করছি। আজ আমরা পুরো কঙ্কালের অভয়ব পেয়েছি। এখন কঙ্কালটা নষ্ট না করে কীভাবে সংরক্ষণ করা যাবে সেভাবে কাজ করছি।
জানা গেছে, কক্সবাজার সমুদ্র সৈকতের বিভিন্ন অংশে মাঝেমাঝে ভেসে আসে মৃত তিমি। হিমছড়ি সৈকতে ২০২১ সালের ২মে ভেসে আসে তেমনি এক মৃত তিমি। এর আগে ২০২১ সালের ৯ ও ১০ এপ্রিল হিমছড়ি সৈকতে ভেসে এসেছিল ১৫ ও ১০ টন ওজনের দুটি মৃত তিমি। তিমিগুলো কী কারণে মারা গেছে তার কারণ জানতে করা হয়েছিল অনুসন্ধান কমিটি। কিন্তু তার নির্দিষ্ট কোনো কারণ বের করতে পারেনি তারা।



