প্রথম আলো :
চলচ্চিত্র উৎসবে যাওয়া মানেই কি সিনেমাটি ভালো?
নুহাশ হুমায়ূন: উৎসবে যাওয়া মানেই সিনেমা শতভাগ ভালো, এটা আমি মনে করি না। আমার পছন্দের সিনেমার কথা যদি বলি, ‘মনপুরা’, ‘আয়নাবাজি’ বা আমার বাবার সিনেমাগুলো, এগুলো তো সেভাবে ফেস্টিভ্যালে যায়নি। আমার মনে হয়, এখন থেকে ২০ বা ৫০ বছর পর এই সিনেমাগুলোকেই মানুষ মনে রাখবে। আবার এখন অনেক সিনেমা নানা চলচ্চিত্র উৎসবে যাচ্ছে, এগুলো মানুষের মনে থাকবে কি না জানি না। ইউরোপ-আমেরিকার দিকে এত বেশি তাকালে হবে না। ওদের রেসপেক্ট পেলেই আমাদের কাজটা ভালো হয়েছে, না হলে হয়নি, এমনটা আমি মনে করি না।
প্রথম আলো :
অনেকে ধরেই নেন, ইউরোপ-আমেরিকার স্বীকৃতি মানেই অসাধারণ কিছু…
নুহাশ হুমায়ূন: সে অর্থে এখন দুইটারই দরকার আছে। কমার্শিয়াল সিনেমা যেমন দরকার, আর্টিস্টিক সিনেমাও দরকার। আবার মিক্সও দরকার। নিজের কাজের কথাই যদি বলি, আমার ষ রটারড্যামে গেছে, সানড্যান্স উৎসব থেকে পুরস্কার পেয়েছে। আবার একই সময়ে দেশের দর্শকও সিরিজটি উপভোগ করেছেন। এটা আমি দর্শকদের জন্য বানিয়েছি, কোনো অ্যাওয়ার্ডের জন্য বানাইনি।
প্রথম আলো :
ভয়েস দিলেন, অভিনয় নিয়ে কোনো ইচ্ছা আছে?
নুহাশ হুমায়ূন: শৈশবে নিজের বানানো শর্টফিল্মগুলোয় অভিনয় করতাম। গল্প চরিত্র পছন্দ হলে অভিনয় করে ফেলতেই পারি (হাসি)।



