ছেলের এই সাফল্যে আবেগাপ্লুত মা আবেদা বেগম বলেন,’ আমি আমার অসুস্থ স্বামীকে নিয়ে ছেলের সকল আবদার পূরণ করার চেষ্টা করেছি। আজ কষ্ট করে আমার ছেলেকে নিজের পায়ে দাঁড় করাতে পেরে আমি গর্বিত। এই যাত্রায় আলোর পাঠশালা ও প্রথম আলো ট্রাস্টের অবদান আমরা কোনোদিন ভুলব না।’ আব্দুল্লাহ আল মামুন তার অনুভূতি ব্যক্ত করে বলে, টাকার অভাবে যখন আমার পড়াশোনা বন্ধ হতে বসেছিল, তখন শিক্ষকরা পাশে না দাঁড়ালে আমি আজ এই পর্যায়ে আসতে পারতাম না। আমি আলোর পাঠশালার সকল শিক্ষক এবং প্রথম আলো ট্রাস্টের প্রতি চিরকৃতজ্ঞ।



