স্থানীয়দের মাধ্যমে জানা যায়, গত শুক্রবার রাতে খান বাড়িতে পুলিশ অভিযান চালিয়ে রাশেদ খানের স্বজন ওয়ার্ড আওয়ামী লীগের সাংগঠনিক সম্পাদক আতিক খান ও ফয়েজ খানকে গ্রেপ্তার করেছে। রাতে তিনি বাসায় না থাকায় গ্রেপ্তার এড়াতে পেরেছিলেন।
রাশেদ খানের মৃত্যু প্রসঙ্গে কাউনিয়া থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) সঞ্জীব কুমার নাথ প্রথম আলোকে বলেন, রাশেদ খান দুটি মামলার এজাহারভুক্ত আসামি। গ্রেপ্তারের জন্য আজ রোববার বেলা পৌনে তিনটার দিকে কাউনিয়া থানার পুলিশ খান বাড়িতে যায়। বাড়ির নারীরা জানান, তিনি বাড়িতে নেই। এতে আশ্বস্ত হয়ে পুলিশ বাড়ি থেকে ফেরত আসে। এরপরে তিনি পালাতে গিয়ে ড্রেনের ওপর পড়ে গিয়ে মারা গেছেন বলে জানা গেছে। তাঁর লাশ স্বজনেরা হাসপাতাল থেকে নিয়ে গেছে।
এ ঘটনায় কোনো অপমৃত্যু মামলা বা জিডি হয়েছে কি না এমন প্রশ্ন করা হলে ওসি বলেন, না, এখনো এ ঘটনায় এ ধরনের কোনো আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হয়নি।


