বাংলাদেশে এসে জানালেন কেন ফুটবলার হয়েছেন ক্যানেজিয়া | চ্যানেল আই অনলাইন

আর্জেন্টিনার ১৯৯০-২০০ সাল পর্যন্ত দলের অন্যতম সদস্য ছিলেন ফরোয়ার্ড ক্লদিও ক্যানেজিয়া। তবে তিনি ভালো একজন স্পিনারও ছিলেন। বাংলাদেশে আসার পর তাকে স্পিনার না হয়ে ফুটবলার হওয়ার ব্যাপারে জানতে চাওয়া হয়। তখন এ কিংবদন্তি বলেন, ফুটবল ছিল আমার আবেগের জায়গা, অ্যাথলেটিকস ভালোবাসতাম। 

ফর্টিস ফুটবল ক্লাবে সংবাদ সম্মেলনে ক্যানেজিয়ার কাছে জানতে চাওয়া হয় ১০০ মিটার স্প্রিন্টে আপনার সময় ১১ সেকেন্ডের কম থাকলেও ফুটবলার কেন হলেন? জবাবে ক্যানেজিয়া বলেন,
‘আমার আসল আবেগ ছিল অবশ্যই ফুটবল বা ফুটবল খেলা। তবে একই সাথে আমি অ্যাথলেটিক্সও খুব পছন্দ করি। তাই আমি সবসময় অলিম্পিক দেখি, কারণ আমি প্রতিটি দৌড় দেখতে পছন্দ করি। মানে ১০০ মিটার, স্প্রিন্ট আমি যখন ছোট ছিলাম তখন দেখতাম। উদাহরণস্বরূপ, সেই সময়ে বিশ্বের সেরা স্প্রিন্টারদের (দ্রুতগতির দৌড়বিদদের) খেলা দেখতাম।’

‘আমি এই খেলাটির অনেক বড় ভক্ত। তবে আমি ফুটবল খেলতাম এবং অবশ্যই আমার আবেগ, আমার আসল ভালোবাসা ছিল ফুটবল। ফুটবল খেলার জন্য কিন্তু কেবল গতিই সবকিছু নয়। ফুটবল খেলতে হলে আপনাকে অনেক ধরনের স্কিল বা দক্ষতার অধিকারী হতে হয়। গতি থাকাটা বেশ বড় একটা সুবিধাজনক দিক।’

‘শুধু ফুটবল নয়, যেকোনো খেলাতেই গতি বেশ বড় সুবিধা দেয়। আপনি যদি ধীরগতির হন, টেকনিক্যালি ভালো হতে পারেন ঠিকই, কিন্তু একদম শীর্ষপর্যায়ে পৌঁছাতে হলে যেমন ফুটবলে বা অন্য যেকোনো খেলাতে, আপনার যদি গতি না থাকে, তবে কঠিন হয়ে যায়। যেকোনো খেলাতেই কঠিন। কিন্তু পাশাপাশি আপনার অন্যান্য দক্ষতাও থাকতে হবে। যেমন উসেইন বোল্ট…।’

Scroll to Top