
বাংলাদেশের ফুটবলের উন্নয়নে ছেলেদের ও মেয়েদের ফুটবল, অবকাঠামো, প্রশিক্ষণকেন্দ্র এবং স্কুলভিত্তিক প্রকল্পে বিনিয়োগের পরিকল্পনা করছে ফিফা। ঢাকায় যাত্রাবিরতির সময় এমন আশার কথাই শুনিয়েছেন সংস্থাটির সভাপতি জিয়ান্নি ইনফান্তিনো। তার মতে, ফুটবলের প্রতি বাংলাদেশের মানুষের যে ভালোবাসা, তা আরও এগিয়ে যাওয়ার বড় অনুপ্রেরণা।
মরক্কো থেকে ভুটান যাওয়ার পথে রোববার ঢাকায় হযরত শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে যাত্রাবিরতি করেন ফিফা সভাপতি। সেখানে বাংলাদেশ ফুটবল ফেডারেশনের (বাফুফে) সভাপতি ও কর্মকর্তাদের সঙ্গে বৈঠক শেষে বাংলাদেশের ফুটবল নিয়ে আশাবাদ ব্যক্ত করেন ইনফান্তিনো। বিমানবন্দরে নামার পর থেকেই মানুষের মধ্যে ফুটবল নিয়ে আবেগ অনুভব করেছেন বলে জানান তিনি।
ফিফা সভাপতি বলেন, ‘আজ ঢাকায়, বাংলাদেশে আসতে পেরে আমি খুবই আনন্দিত। সুন্দর এই দেশটি আমার কাছে আরও গুরুত্বপূর্ণ, কারণ এটি ফুটবলের প্রতি দারুণ আবেগী একটি দেশ। এখানকার সবাই ফুটবল ভালোবাসে, খেলাটিকে ভালোবাসে। এখানে আসার পর প্রথম মুহূর্ত থেকেই তা অনুভব করা যায়।’
বাংলাদেশের ফুটবলকে এগিয়ে নিতে বাফুফে সভাপতি তাবিথ আউয়াল ও তার বোর্ডের উদ্যোগের প্রশংসাও করেন ইনফান্তিনো। উন্নয়নের সম্ভাব্য ক্ষেত্রগুলোর মধ্যে নারী ও পুরুষের ফুটবল, খেলোয়াড়দের প্রশিক্ষণ, অবকাঠামো এবং স্কুল পর্যায়ে বিনিয়োগের কথা উল্লেখ করেন তিনি।
বলেছেন, ‘বাংলাদেশের ফুটবলকে পরের ধাপে নিতে বাফুফে সভাপতি ও তার দল দারুণ কাজ করছেন। বাংলাদেশের মানুষের এটাই প্রাপ্য। ছেলেদের ফুটবল, মেয়েদের ফুটবল, নারী ও পুরুষ খেলোয়াড়, স্কুলে বিনিয়োগ, অবকাঠামো, প্রশিক্ষণকেন্দ্র ও পরিকল্পনা-এসব নিয়ে আমরা আলোচনা করেছি। বাংলাদেশের ফুটবলের জন্য এসব ভালো প্রকল্প বাস্তবায়ন করব।’
বাংলাদেশের ফুটবল কীভাবে দেশের সীমানা ছাড়িয়ে সমর্থকদের একসূত্রে বাঁধছে, তার উদাহরণ হিসেবে গত জুনে সান মারিনোর বিপক্ষে বাংলাদেশের প্রীতি ম্যাচের কথাও তুলে ধরেন ফিফা সভাপতি। ম্যাচটি দেখতে ইউরোপের বিভিন্ন জায়গা থেকে বাংলাদেশি সমর্থকেরা সান মারিনোতে গিয়েছিলেন। বাংলাদেশ ২-১ গোলে জেতার পর সেখানে উদ্যাপনও হয়েছিল।
ইনফান্তিনো বলেন, ‘এটি দেখায়, ফুটবল কীভাবে বিশ্বকে এক করে এবং সর্বত্র বড় প্রভাব ফেলে। বাংলাদেশে যারা ফুটবলের জন্য অসাধারণ কাজ করছেন, তাদের সবার প্রতি আমি কৃতজ্ঞ। সামনে আরও অনেক কিছু আসছে।’
আরও পড়ুন
পরবর্তী সংবাদ প্রস্তুত হচ্ছে…
