বাংলাদেশকে তার ভূরাজনৈতিক পরিস্থিতি কাজে লাগিয়ে রপ্তানি বৈচিত্র্যময় করার এবং অন্যান্য রাজস্ব উপার্জনের উপায় খুঁজতে হবে। এ ক্ষেত্রে সংযোগ একটি গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করতে পারে। এই অপ্রত্যাশিত বৈশ্বিক অস্থিরতা ও ধাক্কা থেকে বাংলাদেশ নিজেকে রক্ষা করতে পারে। ভারত তার উত্তর-পূর্বাঞ্চলের স্থলবেষ্টিত সাতটি রাজ্য, যা ‘সেভেন সিস্টার’ নামে পরিচিত, সেগুলোর সঙ্গে মূল ভূখণ্ডকে সংযুক্ত করার জন্য একাধিক বহুমুখী সংযোগ প্রকল্প হাতে নিয়েছে। সেই সংযোগ স্থাপনে বাংলাদেশ একটি গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করতে পারে এবং বিনিময়ে একটি উল্লেখযোগ্য রাজস্বভিত্তিক লাভজনক বাণিজ্যিক মডেল অর্জন করতে পারে।
প্রতিবেশী অঞ্চলের নিরাপত্তা উদ্বেগ নিরসন করাও একটি গুরুত্বপূর্ণ দিক। কারণ, অতীতে বাংলাদেশ থেকে অনুপ্রবেশকারী দল এবং অন্যান্য সন্ত্রাস-সম্পর্কিত কার্যকলাপ ভারতে সংঘটিত হয়েছে। এই সহস্রাব্দের শুরু থেকে এই ধরনের কার্যকলাপ উল্লেখযোগ্যভাবে হ্রাস পেয়েছে, যা বাংলাদেশ সরকারের সক্রিয় সহযোগিতা ও অংশগ্রহণের মাধ্যমে অর্জিত হয়েছে। আইন প্রয়োগকারী সংস্থাগুলোকে শুধু সন্ত্রাস-সম্পর্কিত কার্যকলাপ শনাক্ত করার জন্যই নয়, বরং সক্রিয়ভাবে সেসব উপাদানকে নিষ্ক্রিয় করার জন্যও কৃতিত্ব দিতে হবে।



