
ঢাকা, ৩১ মার্চ – আসন্ন বর্ষা মৌসুমে ঢাকা দক্ষিণ সিটি করপোরেশন এলাকার জলাবদ্ধতা নিরসনের উদ্দেশ্যে মাসব্যাপী বিশেষ পরিচ্ছন্নতা কার্যক্রম শুরু হয়েছে। মঙ্গলবার দুপুরে সেগুনবাগিচায় বক্স কালভার্ট পরিষ্কারের মাধ্যমে এই কর্মসূচির উদ্বোধন করেন ডিএসসিসির প্রশাসক মো. আব্দুস সালাম। উদ্বোধনী বক্তব্যে তিনি জানান, নাগরিকদের বর্ষার ভোগান্তি থেকে মুক্তি দিতে বহুমুখী পদক্ষেপ নেওয়া হয়েছে। এর অংশ হিসেবে রাজধানীর চারটি বক্স কালভার্ট পরিষ্কারের কাজ শুরু হয়েছে, যা পাঁচ মাসের নির্ধারিত সময়ের বদলে বিশেষ নির্দেশনায় এক মাসের মধ্যে শেষ করে পানির স্বাভাবিক প্রবাহ নিশ্চিত করা হবে।
জলাবদ্ধতা নিরসনে গৃহীত অন্যান্য পদক্ষেপের মধ্যে রয়েছে ডিএসসিসি এলাকার ৩৩টি হটস্পট চিহ্নিত করে দ্রুত পানি নিষ্কাশনের ব্যবস্থা করা এবং প্রতিটি এলাকার জন্য ইমার্জেন্সি রেসপন্স টিম প্রস্তুত রাখা। অতিবৃষ্টির পানি সরাতে নতুন ছয়টি পোর্টেবল পাম্পের পাশাপাশি দুটি স্থায়ী পাম্পস্টেশন সচল করা হয়েছে। বর্তমানে টিটিপাড়া, ধোলাইখাল ও হাতিরঝিলে তিনটি আউটলেট থাকলেও তা পর্যাপ্ত নয়। তাই নিউ মার্কেট ও পুরান ঢাকার সোয়ারীঘাট এলাকায় আরও দুটি নতুন আউটলেট নির্মাণের প্রস্তাব অনুমোদন দেওয়া হয়েছে।
এ ছাড়া ঢাকা ওয়াসার ড্রেনেজ মাস্টারপ্ল্যান আধুনিকায়ন এবং জিরানি, শ্যামপুর, কালুনগর ও মান্ডা খালের প্রবাহ সচল করার কাজও চলমান রয়েছে। ডিএসসিসি প্রশাসক যত্রতত্র পলিথিন ও বর্জ্য ফেলে ড্রেনেজ ব্যবস্থা ব্যাহত না করার জন্য নাগরিকদের প্রতি আহ্বান জানান। তিনি উল্লেখ করেন, শিল্পকলা একাডেমি থেকে টিটিপাড়া পাম্পস্টেশন পর্যন্ত প্রায় ২.৮৫ কিলোমিটার দীর্ঘ কালভার্টটি পরিষ্কার হলে সেগুনবাগিচা, সচিবালয়, পল্টন, মতিঝিল ও নয়াপল্টন এলাকার প্রায় দশ লাখ মানুষ সুফল পাবেন। উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে ডিএসসিসির প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা মো. জহিরুল ইসলাম এবং প্রধান বর্জ্য ব্যবস্থাপনা কর্মকর্তা এয়ার কমডোর মো. মাহাবুবুর রহমান তালুকদারসহ অন্যান্য কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন।
এস এম/ ৩১ মার্চ ২০২৬





