বানিয়াখালী ফরেস্ট স্টেশনের কর্মকর্তা কে এম রাশেদ সাদাত প্রথম আলোকে বলেন, গতকাল রাতে ময়দাপাশা খালে টহল দেওয়ার সময় বনরক্ষীরা তাঁদের দেখতে পান। এ সময় একজন পালিয়ে গেলেও অন্যজনকে আটক করা হয়। তিনি বলেন, ওই ব্যক্তিদের কাছে সুন্দরবনে প্রবেশের কোনো অনুমতিপত্র ছিল না। নৌকা থেকে হরিণের খণ্ডিত মাথা, আনুমানিক দেড় কেজি কলিজা ও নাড়িভুঁড়ি এবং হরিণ শিকারের ছিটকা ফাঁদসহ বিভিন্ন সরঞ্জাম জব্দ করা হয়। তবে মাংস পানিতে ফেলে দেওয়ায় তা জব্দ করা সম্ভব হয়নি।
অভিযানে অংশ নিয়েছেন সুন্দরবনের হায়াতখালী বন টহল ফাঁড়ির ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা পিন্টু বাড়ৈ। তিনি বলেন, পলাতক ব্যক্তিসহ দুজনের বিরুদ্ধে বন্য প্রাণী (সংরক্ষণ ও নিরাপত্তা) আইনে মামলা করা হয়েছে। ইতিমধ্যে আটক আয়াতুল্লাহ গাজীকে আদালতের মাধ্যমে কারাগারে পাঠানো হয়েছে। হরিণ শিকারের ছিটকা ফাঁদ সম্পর্কে পিন্টু বাড়ৈ বলেন, শক্ত দড়ি ও গাছের বাঁকানো ডাল দিয়ে ফাঁদটি এমনভাবে তৈরি করা হয়, যাতে হরিণের পা আটকে গেলে ওপরে ঝুলে যায়। প্রাণীটি মুক্ত হওয়ার চেষ্টা করলে ফাঁস আরও শক্ত হয়ে ওঠে।


