আলী রীয়াজ: আমাদের সবার প্রচেষ্টার সাফল্য যদি বলি, সবচেয়ে বড় সাফল্য হচ্ছে বাংলাদেশের মানুষের মধ্যে রাষ্ট্রকাঠামো বদল করার তাগিদটা আরও বেশি শক্তিশালী হয়েছে। তারা এখন বুঝতে পারেন যে কোথায় কোথায় পরিবর্তন জরুরি। এটা কেবল কমিশনের সাফল্য নয়। রাজনৈতিক দলগুলোরও সাফল্য। তাদের এই জায়গায় আসতে হয়েছে, বলতে হয়েছে।
এই প্রথমবারের মতো একটা পরিবর্তনের আকাঙ্ক্ষাকে কাঠামোগত রূপ দেওয়ার জন্য সবাই অংশগ্রহণ করেছে, দীর্ঘ সময় ধরে আলোচনা করেছে। অতীতে এটি হয়নি, ভবিষ্যতে হবে কি না আমি বলতে পারব না। আমরা তো এই কাজটা করতে পেরেছি।
প্রক্রিয়ার দিক থেকে আমি অপূর্ণতা দেখতে পাই না। তবে যদি আরেকটু সময় পাওয়া যেত তাহলে সমাজের অন্যান্য অংশ যেগুলোকে পরোক্ষভাবে যুক্ত করা হয়েছিল, তাদের প্রত্যক্ষভাবে যুক্ত করা যেত। তাহলে আরেকটু ভালো হতো। বাস্তবায়নের ব্যাপারে যে আলোচনা, সেটা আরও বেশি সুনির্দিষ্ট করতে পারতাম। আমরা যত দূর সম্ভব জনগণকে জানানোর চেষ্টা করা সত্ত্বেও খুব বিস্তারিতভাবে জানাতে পেরেছি বলে মনে করি না। যত দূর সম্ভব আমরা স্বচ্ছতা তৈরি করেছি, কিন্তু যদি আরও বেশি অংশগ্রহণমূলক করা যেত তাহলে আরও ভালো হতো। এই জায়গাটায় আমার কাছে অপূর্ণতা মনে হয়েছে।


