কম বিক্রির কারণ জানতে চাইল হাসমত ব্যাপারী বলেন, মধ্যপ্রাচ্যে যুদ্ধের প্রভাবে স্থানীয় বাজারে বিক্রি কম। তাই পাইকারিতেও এটার প্রভাব পড়েছে। তা ছাড়া ঈদের পর যদি নির্বাচিত হতো তাহলে বেচাবিক্রি আরও ভালো হতো।
এ মার্কেটের নিচ তলায় একটি পোশাক কারখানায় পাইকারি দামে শার্ট বিক্রি হয়। চায়না কাপড়ের শার্ট পাওয়া যায় ৪০০ থেকে ৭০০ টাকার মধ্যে। বিক্রয়কর্মী কবির হোসেন জানান, দিনে ৪০ থেকে ৫০ হাজার টাকার পণ্য বিক্রি হচ্ছে। তবে রোজার শেষের দিকে পাইকারি বাজারের বিক্রি কমে যায় বলে জানান তিনি।
কেরানীগঞ্জ থেকে বাচ্চাকে নিয়ে বঙ্গবাজারে এসেছেন বেসরকারি প্রতিষ্ঠানের কর্মকর্তা ফরিদ মিয়া। প্রথম আলোকে তিনি বলেন, দাম তো বাইরের বিপনিবিতানের মতোই মনে হচ্ছে। আর এখন তারা খুচরা বিক্রি করতে চায় না। কিন্তু অন্য সময় তারা কাপড় নেওয়ার জন্য ডাকে।
এখানকার এনেক্সকো টাওয়ারের বিসমিল্লাহ গার্মেন্টসে নারীদের ওয়ান, টু ও থ্রি-পিছ বিক্রি করা হয়। ৪০০ টাকা থেকে ১২০০ টাকায় এসব কাপড় কেনা যায়। বিক্রেতা তানভীর আহমেদ জানান, দিনে মাত্র ৫০ হাজার টাকার কাপড় বিক্রি হচ্ছে। যদিও আগের ঈদেও বিক্রি ছিল লাখ টাকার ওপরে।


