ব্যাটিংয়ের কৌশলগত পরিবর্তন হয়তো হয়েছে। দর্শন থেকে গেছে সেই একই—‘সি বল, হিট বল।’
এভাবে মেরে খেলে কীভাবে বেশিক্ষণ টিকে থাকা সম্ভব? এমন প্রশ্ন জাগাই স্বাভাবিক। কাল ম্যাচ শেষে সাংবাদিকের এমন প্রশ্নে অ্যালেনের উত্তর, ‘আমি ও টিম সব সময় ব্যাটিং খুব সহজ রাখার চেষ্টা করি। বল যেভাবে আসে, সেভাবেই প্রতিক্রিয়া দেখাই।’
টিম মানে টিম সাইফার্ট অ্যালেনের ওপেনিং সতীর্থ। প্রথম বল থেকেই মেরে খেলেন বলে দুজনকে একসঙ্গে কেউ কেউ ‘ব্যাশিং ব্রাদার্স’ও বলেন। সাইফার্টের দাবি, গলফ কোর্সে তিনি বল অ্যালেনের চেয়ে জোরে মারেন। কিন্তু ক্রিকেট বলটা তাঁর চেয়ে অ্যালেনই বেশি জোরে মারেন।
ইডেনে কাল অ্যালেনের সেই মার দেখেছেন অনেকেই। তাঁর বাবা–মাও কি দেখেছেন? ভারতে সন্ধ্যায় ম্যাচটি যখন চলছিল, নিউজিল্যান্ডে তো তখন ভোর। তারপরও অ্যালেনের মনে একটা ব্যাপারে কোনো সংশয় নেই। বলেছেনও তা, ‘আমি নিশ্চিত বাবা–মা জেগে পুরো ম্যাচই দেখেছেন। আশা করি, তারা গর্বিত।’
শেষ কথাটা নিয়ে কারও মনে সংশয়ই থাকার কথা নয়।



