ভোটের আগে জনগণের কাছে বিএনপি যে প্রতিশ্রুতি দিয়েছিল, তা বাস্তবায়নে ১৮০ দিনের কর্মপরিকল্পনা গ্রহণ করবে সরকার। এ জন্য মন্ত্রিসভার সব সদস্যদের দু-একদিনের মধ্যে তাদের পরিকল্পনা প্রধানমন্ত্রীকে জানাতে বলা হয়েছে।
আজ বুধবার ১ ফেব্রুয়ারি সচিবালয়ে মন্ত্রিসভার অনানুষ্ঠানিক বৈঠকে প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান এসব নির্দেশনা দিয়েছেন বলে জানিয়েছেন মন্ত্রিসভার সদস্যরা।
বৈঠক শেষে পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী শামা ওবায়েদ ইসলাম বলেন, জনগণের জন্য প্রত্যেকটা মন্ত্রণালয় কীভাবে কাজ করবে, সে বিষয়ে প্রধানমন্ত্রী নির্দেশনা দিয়েছেন। বিএনপি মানুষকে যে প্রতিশ্রুতি দিয়েছে, সেগুলো মনে রেখে মন্ত্রণালয়গুলোকে কাজ করার নির্দেশনা দিয়েছেন।
তথ্যমন্ত্রী ও সম্প্রচার মন্ত্রী জহির উদ্দিন স্বপন বলেন, প্রধানমন্ত্রী আমাদের সবাইকে পরামর্শ দিয়েছেন। রমজানে দ্রব্যমূল্য নিয়ন্ত্রণে রাখা এই মুহূর্তের প্রধান অগ্রাধিকার। আইন-শৃঙ্খলা পরিস্থিতি এবং বিদ্যুৎ সরবরাহ স্বাভাবিক রাখা, ইফতার, তারাবিতে যেন বিদ্যুতের কোনো কষ্ট না হয়, সে বিষয়ে নির্দেশনা দিয়েছেন।
তথ্যমন্ত্রী বলেন, সংশ্লিষ্ট মন্ত্রীরা তাদের কর্মপরিকল্পনা দু-এক দিনের মধ্যেই প্রধানমন্ত্রীর কাছে হাজির করবেন। তারপর প্রধানমন্ত্রী নির্দেশ অনুযায়ী আমরা আমাদের পদক্ষেপ গ্রহণ করব।
মন্ত্রী জহির উদ্দিন বলেন, ‘দলের পক্ষ থেকে আমাদের প্রধানমন্ত্রী রাষ্ট্র মেরামতের জন্য ৩১ দফা কর্মপরিকল্পনা ঘোষণা করেছেন। এই কর্মসূচি শুধু বিএনপির ছিল না, গণতান্ত্রিক রাজনৈতিক সকল দল এর সঙ্গে যুক্ত ছিল।… অগ্রাধিকারের ভিত্তিতে ১৮০ দিনের একটি কর্মসূচি গ্রহণ করব।’
স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী সালাউদ্দিন আহমেদ বলেন, সরকারের অগ্রাধিকারের রয়েছে প্রাথমিকভাবে দ্রব্যমূল্য নিয়ন্ত্রণ, আইন-শৃঙ্খলা পরিস্থিতি আরও উন্নত করা, পণ্য সরবরাহ চেইন ঠিক রাখা এবং জ্বালানি খাতে যাতে কোনো সমস্যা সৃষ্টি না হয়; গ্যাস এবং বিদ্যুতের দিকে বা লক্ষ্য রাখা- এসব বিষয়ে প্রধানমন্ত্রী অনুশাসন দিয়েছেন।




